প্রকাশিত:
১১ নভেম্বর, ২০২৫

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র এবং একটি সর্বোচ্চ শ্রেণির কেপিআই। দেশের মোট আমদানি ও রপ্তানির সিংহভাগ কার্যক্রম এই বন্দর দিয়ে সম্পন্ন হয়। দৈনন্দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য, শিল্পকারখানার কাঁচামালসহ আমদানি ও রপ্তানিযোগ্য পণ্য পরিবহনের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, লং ভেহিকেল ও প্রাইমমুভার চট্টগ্রাম বন্দরে চলাচল করে। এই বিপুল যানবাহন চলাচলের কারণে বন্দরের আশপাশে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বন্দর এলাকায় মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন, পথসভা ইত্যাদি আয়োজনের ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়ে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হমকি সৃষ্টি করতে পারে।
চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও সচল রাখার স্বার্থে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮ এর ৩০ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন বারেক বিল্ডিং মোড়, নিমতলা মোড়, ৩ নম্বর জেটি গেট, কাস্টমস মোড়, সল্টগোলা ক্রসিংসহ বন্দর এলাকাতে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক, শ্রমিক বা সামাজিক সংগঠন কর্তৃক মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন, পথসভা ইত্যাদি আয়োজন আগামী ১২ নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক মাসের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।
এর আগে গেলো ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় ৩০ দিনের জন্য যেকোনো ধরনের মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন, পথসভা নিষিদ্ধ করেছিল চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি), লালদিয়ার চর এবং বে-টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব ইজারার ভিত্তিতে বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আগামী ডিসেম্বরে এ সংক্রান্ত চুক্তি হওয়ার কথা। এর প্রতিবাদে ধারাবাহিক আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছে শ্রমিক-কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন ও বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো। এছাড়া বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, ছাত্র ও পেশাজীবী সংগঠনও এতে একাত্ম হয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।