প্রকাশিত:
৮ নভেম্বর, ২০২৫

সব করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক করে সময়সীমা গত আগস্টে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সকল ব্যক্তি করদাতাকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ই-রিটার্ন জমা দিতে হবে।
গত বছর শুধু নির্দিষ্ট অঞ্চল, ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কিছু বহুজাতিক কোম্পানির কর্মীদের জন্য অনলাইনে রিটার্ন বাধ্যতামূলক ছিল। সে সময় ১৭ লাখের বেশি করদাতা ই-রিটার্ন জমা দিয়েছিলেন।
বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ টিআইএনধারী (কর শনাক্তকরণ নম্বর) থাকলেও প্রতিবছর নিয়মিত রিটার্ন জমা দেন মাত্র ৪০ লাখ করদাতা।
এনবিআর জানায়, বিশেষ এক আদেশ অনুযায়ী চলতি বছর ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ করদাতা, শারীরিকভাবে অক্ষম বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃত করদাতার প্রতিনিধিরা এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক ছাড়া সবার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক।
যেসব করদাতা ই-রিটার্ন জমা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন, তাঁরা চাইলে অনলাইনেই রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।
তবে কারও যদি ই-রিটার্ন নিবন্ধনে প্রযুক্তিগত সমস্যা হয়, তাহলে তিনি ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করে অতিরিক্ত বা যুগ্ম কর কমিশনারের অনুমোদনক্রমে কাগুজে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। এই সময়সীমা পূর্বে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত থাকলেও তা ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া এনবিআরের ওয়েবসাইটে সমস্যা জানালে দ্রুত সমাধান দেওয়া হচ্ছে। করদাতারা চাইলে নিজ নিজ কর অঞ্চলে গিয়েও ই-রিটার্ন সংক্রান্ত সেবা নিতে পারেন।
এনবিআর আরও জানায়, করদাতার পক্ষে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধিও ই-রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। বিদেশে থাকা বাংলাদেশিরা ই-মেইলের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন লিংক পেয়ে সহজেই ই-রিটার্ন সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারেন। কোনো নথি আপলোড না করেই আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য দিয়ে রিটার্ন জমা দেওয়া যায়, আর সঙ্গে সঙ্গে জমা স্লিপ ও আয়কর সনদ প্রিন্ট করা যায়।