প্রকাশিত:
২৭ নভেম্বর, ২০২৫

এ খবর দিয়েছে ইউরো নিউজ। এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে ইটিএ চালু করা হলেও এ পর্যন্ত তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়নি। তবে আগামী বছর থেকে নিয়মটি কঠোরভাবে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বৃটেন সরকার।
ইটিএ হলো বৃটেনে স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণের জন্য ডিজিটাল অনুমোদন। এটি ভিসা বা কর নয়। ভিসার প্রয়োজন নেই এমন দেশের নাগরিকদের জন্য এটি প্রযোজ্য। ইটিএধারীরা সর্বোচ্চ ছয় মাস পরিবার পরিদর্শন, পর্যটন বা সাধারণ ভ্রমণ উদ্দেশ্যে বৃটেনে থাকতে পারবেন। সরকারি তথ্যমতে, চালু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইটিএ ইস্যু হয়েছে ১ কোটি ৩৩ লাখের বেশি।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ইটিএ ছাড়া কোনো ভ্রমণকারী বৃটেনগামী বিমান, ট্রেন বা জাহাজে উঠতে পারবেন না। বৃটিশ ও আইরিশ নাগরিক এবং দ্বৈত নাগরিকরা এর বাইরে থাকলেও, তাদের বৈধ বৃটিশ পাসপোর্ট বা সার্টিফিকেট অব এনটাইটেলমেন্ট সাথে রাখার পরামর্শ দিওয়া হয়েছে। যাত্রাপথে হিথ্রো বা ম্যানচেস্টার বিমানবন্দরে ট্রানজিট নিয়ে পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণ এলাকায় প্রবেশ না করলে ইটিএ প্রয়োজন হবে না। অ্যাপল অ্যাপ স্টোর ও গুগল প্লেতে থাকা ‘ইউকে ইটিএ’ অ্যাপের মাধ্যমে ইটিএর জন্য আবেদন করা যাবে। আবেদন ফি ১৬ পাউন্ড। স্মার্টফোন না থাকলে বৃটেন সরকারের ওয়েবসাইট থেকেও আবেদন করা যাবে। পাসপোর্ট ও যোগাযোগের তথ্যসহ একটি বৈধ ছবি জমা দিতে হবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কয়েক মিনিটের
মধ্যেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমতি মিললেও, জটিল ক্ষেত্রে তিন কর্মদিবস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। বৃটেন সরকার বলছে, ইটিএ দেশের অভিবাসনব্যবস্থাকে আধুনিক, ডিজিটাল ও আরও নিরাপদ করতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি আগেভাগে ভ্রমণকারীদের তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি করে নিরাপত্তা জোরদারে ভূমিকা রাখবে।
বৃটেনের মাইগ্রেশন ও সিটিজেনশিপমন্ত্রী মাইক ট্যাপ বলেন, ইটিএ আমাদের নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি করতে পারে এমন ব্যক্তিদের আগেই শনাক্ত করতে সাহায্য করবে। একই সাথে অভিবাসনব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাবে। ডিজিটাল প্রক্রিয়ার ফলে বৃটেনে আসা লাখো ভ্রমণকারীর জন্য যাত্রা হবে আরও মসৃণ ও সহজ।