প্রকাশিত:
২৫ নভেম্বর, ২০২৫

হ্যানসনকে বোরকা–নিষিদ্ধকরণ বিল উত্থাপনের অনুমতি না দেওয়ার পর তিনি বোরকা পরে সংসদে প্রবেশ করেন। এর পরপরই মুসলিম আইনপ্রণেতারা তার আচরণকে ‘বর্ণবাদী নাটক’ বলে আখ্যা দেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওয়ং সিনেটে বলেন, ‘সিনেটর হ্যানসনের ঘৃণামূলক ও তুচ্ছ প্রদর্শন আমাদের সামাজিক বন্ধন ছিন্ন করে এবং দেশকে দুর্বল করে। প্রায় ১০ লাখ অস্ট্রেলীয় যে ধর্ম পালন করেন, সেই ধর্মকে তিনি উপহাস করেছেন।’
৫৫-৫ ভোটে সিনেটে তার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পাস হয়।
ডানপন্থি জাতীয়তাবাদী বক্তব্য ও অভিবাসনবিরোধী অবস্থান নিয়ে ওয়ান নেশন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সমর্থন বাড়িয়েছে। মে মাসের সাধারণ নির্বাচনে দলটি সিনেটে চারটি আসন পায়। জনমত জরিপেও হ্যানসনের জনপ্রিয়তা বাড়ছে বলে দেখা যায়।
হ্যানসন সাংবাদিকদের বলেন, বোরকা বিষয়ে নিজের অবস্থান থেকে তিনি সরে আসবেন না। তার বক্তব্য, ‘সংসদে পোশাকবিধি নেই। ব্যাংকে হেলমেট খুলে ফেলতে হয়, কিন্তু বোরকা নিয়ে আলাদা নিয়ম কেন?’ তিনি যুক্তি দেন, ‘আমি আমার অবস্থানে অটল থাকব; জনগণই আমাকে বিচার করবে।’
কুইন্সল্যান্ডের এই সিনেটর ১৯৯০-এর দশকে এশীয় অভিবাসন ও আশ্রয়প্রার্থী বিরোধী বক্তব্যের মাধ্যমে পরিচিতি পান। ইসলামি পোশাকবিরোধী প্রচারণা তিনি বহুদিন ধরে চালিয়ে আসছেন।
এটি সিনেটে তার দ্বিতীয়বার বোরকা পরা। ২০১৭ সালেও তিনি একই কায়দায় বোরকা পরে সংসদে ঢুকে জাতীয়ভাবে নিষেধাজ্ঞার দাবি তুলেছিলেন।