প্রকাশিত:
গতকাল

দুদকের পৃথক দুই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রবিবার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান, দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও তাঁর স্ত্রী আফরিন তাপসের আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন। এরপর আদালত আবেদনগুলো মঞ্জুর করেন।
মেয়র তাপসের আবেদনে বলা হয়, মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাপস দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ৭৩ কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাঁর নামে ২৭টি ব্যাংক হিসাবে ৫৩৯ কোটি ১৬ লাখ ২৫ হাজার ২৭৮ টাকা ও ৫ লাখ ১৭ হাজার ৫২৭ মার্কিন ডলারের সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
দুদক বলছে, অবৈধ অর্থ জ্ঞাতসারে হস্তান্তর ও স্থানান্তর করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাপসের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মামলার তদন্তের স্বার্থে আসামি শেখ ফজলে নূর তাপসের নামে এ পর্যন্ত সব আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করে পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন।
আফরিন তাপসের নথি চেয়ে করা আবেদনে বলা হয়, পরস্পর যোগসাজশে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে তিনি অসংগতিপূর্ণ ৬ কোটি ৪০ লাখ ৮৯ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। ৯টি ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ৭০ কোটি ৮৯ লাখ ৯৩ হাজার ৬৬৯ টাকা ও ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৯৬৩ মার্কিন ডলারের অস্বাভাবিক সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।
দুদক বলছে, অবৈধ অর্থ জ্ঞাতসারে হস্তান্তর ও স্থানান্তর করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় আফরিন তাপসের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আফরিন তাপসের নামে সব আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করে পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন।