প্রকাশিত:
২৭ নভেম্বর, ২০২৫

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ৯০’র ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য আয়োজিত ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, ‘১৮-১৯ লাখ টাকার ঘটনা থেকে শুরু করে এখন শত শত কোটি টাকার সোনা উদ্ধার হচ্ছে। এসব ঘটনা শিক্ষা দেয়, এরশাদ ও শেখ হাসিনা মিলে দেশে এমন একটি অর্থনীতি তৈরি করেছেন যার নাম ইকোনমিক্স হলেও বাস্তবে এটি ‘হাসিনোমিক্স’। এই হাসিনোমিক্সে ব্যাংক থেকে যারা ঋণ নেবে, তারা টাকা ফেরত দেবে না-এটাই হয়েছে নিয়ম।’
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘ঋণ পরিশোধ না করেও আবার নতুন করে ঋণ নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে শেখ হাসিনা। এভাবে সাড়ে ছয় লাখ কোটি টাকা খেলাপি ঋণে পরিণত হয়েছে। এই হাসিনোমিক্স থেকে দেশকে বের করে আনার দায়িত্ব নির্বাচিত সরকারকে পালন করতে হবে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উদ্যোগের কথাও তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘এখনো দেশে বেকারত্ব বাড়ছে, কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বলেছে—কোটি মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে চলে গেছে। এই বাস্তবতা অন্তর্বর্তী সরকারকে শক্ত হাতে মোকাবেলা করতে হবে। শুধু কিছু পদক্ষেপ নিলেই হবে না, কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।’
ডা. মিলনকে স্মরণ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ডা. মিলনের রক্তদান, মীর মুগ্ধ, আহনাফ, ওয়াসিম আকরাম, আবু সাঈদদের আত্মত্যাগ—সবকিছুর মূল তাৎপর্য হলো একটি শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। আমরা যদি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও শান্তিময় সমাজ গড়তে না পারি, তবে তাদের আত্মা শান্তি পাবে না।’
সভায় সভাপতিত্ব করেন ডাকসুর সাবেক ভিপি ও সাবেক মন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান। সঞ্চালনা করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ডাকসুর সাবেক ডিএস খায়রুল কবির খোকন।