প্রকাশিত:
২৪ নভেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশের আধিপত্য ছিল পুরো ম্যাচজুড়ে। গোলের উৎসব হলেও কারও হ্যাটট্রিক হয়নি। রিফাত কাজী ও অপু করেছেন দুটি করে গোল। বাকিগুলো মানিক, বায়েজিদ, ফয়সাল ও আলিফের পায়ে।
শুরুতেই দেখা যায় বাংলাদেশের আগ্রাসী ফুটবল। ম্যাচের ১৩ মিনিটে বাঁ দিক থেকে ফয়সালের নিখুঁত পাস ধরে অপু পরিমিত শটে প্রথম গোলটি করেন। ২৩তম মিনিটে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দুর্দান্ত এক শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রিফাত। রিদুয়ানের ক্রিয়েটিভ বিল্ড-আপ থেকে ফয়সাল তৃতীয় গোল যোগ করেন। মিনিট না পেরোতেই মানিকের দূরপাল্লার গর্জন স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-০।
বিরতির পরেও থামেনি আক্রমণ। দ্বিতীয়ার্ধের চতুর্থ মিনিটে রিদুয়ানের ক্রস ধরে অপু নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন। পরে ফয়সালের লং শট গোলরক্ষক ঠেকালেও ফিরতি বল ধরে রিফাত জোড়া গোল পূর্ণ করেন। ব্রুনাইয়ের ডিফেন্সে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে ঠান্ডা মাথায় শট করে আলিফও তার নাম লেখান স্কোরশিটে। ৭৯ মিনিটে বায়েজিদের নিখুঁত শটে বাংলাদেশের গোলসংখ্যা থামে আটে।
ম্যাচ শেষে কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন বলেন, “ছেলেরা শুরু থেকেই ইতিবাচক আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। তাই এত সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং গোলেও রূপ নিতে পেরেছে। এই ছন্দটা আমরা পরের ম্যাচেও বজায় রাখতে চাই।”
এই বাছাইপর্বে বাংলাদেশ রয়েছে ‘এ’ গ্রুপে। যেখানে প্রতিপক্ষ চীন, ব্রুনাই, তিমুর লেস্তে, শ্রীলঙ্কা ও বাহরাইন। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দলই আগামী বছর সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত মূল পর্বে জায়গা করে নেবে। বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ২৬ নভেম্বর, প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা।