news@weeklyinqilab.com|| 86-11 101 AVENUE, OZONE PARK, NY, 11416, USA
ব্রেকিং:

বাণিজ্য

নির্বাচনী হাওয়ায় নেই উত্তাপ: ঝিমিয়ে পড়েছে মোটরসাইকেলের বাজার

Next.js logo

প্রকাশিত:

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নিউজটি শেয়ার করুন:

নাঈমা জামান স্বর্নালী: সাধারণত বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন মানেই রাজপথে মোটরসাইকেলের মহড়া আর শোডাউন। বিগত নির্বাচনগুলোতে প্রচার-প্রচারণার অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে মোটরসাইকেলের চাহিদা ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেত। তবে আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সেই চিরচেনা চিত্র এবার অনুপস্থিত। নতুন ও পুরোনো—উভয় বাজারেই এবার আশানুরূপ বিক্রি না হওয়ায় হতাশ বিক্রেতা ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

Thumbnail for নির্বাচনী হাওয়ায় নেই উত্তাপ: ঝিমিয়ে পড়েছে মোটরসাইকেলের বাজার
ইনকিলাব

বাজার সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে গড়ে ৩৭-৩৮ হাজার বাইক বিক্রি হয়েছিল। এমনকি ২০২৪ সালের নির্বাচনের সময়ও বাজারে কিছুটা গতি ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের নির্বাচনে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন:

অক্টোবর ২০২৫: বিক্রি হয়েছিল প্রায় ৩৭,০০০টি।

ডিসেম্বর ২০২৫: কমে দাঁড়ায় ৩৫,৫০০টিতে।

জানুয়ারি ২০২৬: সর্বশেষ হিসেবে বিক্রি হয়েছে মাত্র ৩৩,৪০৯টি।


মোটরসাইকেল বিপণনকারী শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা বিক্রিতে মন্দাভাবের পেছনে তিনটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছেন:

১. ডিজিটাল প্রচারণার প্রভাব: সুজুকি ও হোন্ডার মতো ব্র্যান্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচনী প্রচারণার ধরন বদলেছে। মাঠপর্যায়ের শারীরিক শোডাউনের চেয়ে প্রার্থীরা এখন সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারণাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফলে যানবাহনের প্রয়োজনীয়তা আগের চেয়ে কমেছে। ২. অর্থনৈতিক চাপ ও ব্যয়সংকোচন: উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং ডলার সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। বিএইচএল-এর প্রধান বিপণন কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ আশেকুর রহমানের মতে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার সময় ভোক্তারা বিলাসদ্রব্য কেনায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছেন। ৩. নিষেধাজ্ঞার কড়াকড়ি: নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ থাকায় নির্বাচনী কাজে ব্যবহারের জন্য বাইক কেনার আগ্রহ হারিয়েছেন অনেকে।


নতুন বাইকের পাশাপাশি রাজধানীর মিরপুর, বংশাল ও আবদুল্লাহপুরের পুরোনো মোটরসাইকেলের বাজারেও মন্দা চলছে। আবদুল্লাহপুরের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রুবেলের মতে, আগে যেখানে মাসে ৭০টি বাইক বিক্রি হতো, এখন তা নেমে এসেছে মাত্র ১৫-২০টিতে। দাম ৩০-৫০ শতাংশ কম হওয়া সত্ত্বেও ক্রেতারা বাজারে আসছেন না।


বিক্রি আশানুরূপ না হলেও সুজুকি ও হিরো ব্র্যান্ডের কর্মকর্তারা আশাবাদী যে, নির্বাচনের পর পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে বাজার আবার ঘুরে দাঁড়াবে। নীলয় বাংলাদেশ লিমিটেডের মতে, সার্বিক প্রেক্ষাপটে চলতি বছর শেষে মোটরসাইকেল বিক্রি ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

বিজ্ঞাপন কর্নার

আমাদের সম্পর্কে

সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতিঃ শাহ নেওয়াজ

উপদেষ্টা সম্পাদকঃ পাভেল মাহমুদ

ইংরেজি পাতার সম্পাদকঃ ফুহাদ হোসেন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ বদরুদ্দোজা সাগর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোহাম্মদ জাহিদ আলম

স্টেশন ইনচার্জঃ মো: মিদুল ইসলাম মৃদুল

টেকনিক্যাল ইনচার্জঃ মো: রাশেদুজ্জামান রাজু

অনুসরণ করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন