প্রকাশিত:
গতকাল

টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান তোলে কানাডা।
শুরুটা ছিল হতাশাজনক। পাওয়ার প্লের মধ্যেই তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দলটি। ওপেনার যুবরাজ শর্মা মাত্র ৫ রানে বিদায় নেন। অধিনায়ক দিলপ্রিত বাজওয়া করেন ১১ রান, নিকোলাস কির্তন থামেন ৪ রানে।
প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন নাভনিত ধালিওয়াল ও হার্শ ঠাকের। তাদের জুটিতে স্কোরবোর্ডে গতি আসে। হার্শ ঠাকের অর্ধশতক তুলে নিয়ে শেষ পর্যন্ত ৫০ রান করেন। নাভনিত ২৮ বলে ৩৪ রান যোগ করেন।
শ্রেয়াস মোভভা ২১ বলে করেন সমান ২১ রান। তবে শেষ দিকে বড় কোনো ইনিংস না আসায় ১৫০ রানের মাঝারি সংগ্রহেই থামতে হয় কানাডাকে।
বল হাতে আমিরাতের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন জুনাইদ সিদ্দিকী। একাই তুলে নেন পাঁচ উইকেট। এছাড়া একটি উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ জায়াদুল্লাহ।
১৫১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ওপেনার আরিয়ান্স শর্মা ছাড়া ওপরের সারির ব্যাটাররা কেউই সুবিধা করতে পারেননি। মোহাম্মদ ওয়াসিম ৪, আলিসান শারাফু ৫, মায়াঙ্ক কুমার ৪ এবং হারশিত কৌশিক ৫ রান করে বিদায় নেন। দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দলটি।
সেখান থেকে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন আরিয়ান্স শর্মা ও শোয়াইব খান। ষষ্ঠ উইকেটে তাদের ৮৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি আমিরাতকে জয়ের পথে ফিরিয়ে আনে। শোয়াইব ২৯ বলে ঝড়ো ৫১ রান করে আউট হন, যেখানে ছিল একাধিক বাউন্ডারি ও ছক্কার মার। অন্যপ্রান্তে স্থির থাকেন আরিয়ান্স। তিনি দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে অর্ধশতক পূর্ণ করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৭৪ রানে।
শেষদিকে মোহাম্মদ আরফান (অপরাজিত ১) তাকে সঙ্গ দিলে ১৯.৪ ওভারে ৫ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে আমিরাত। এবারের আসরে এটি তাদের প্রথম জয়।