প্রকাশিত:
৬ জানুয়ারী, ২০২৬
.png&w=3840&q=75)
খুলনা বিভাগের চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও এলজিইডির বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী
পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ শফিকুল ইসলাম এবং প্রকিউরমেন্ট শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী
মোঃ গোলাম ইয়াজদানী। কাজী গোলাম মোস্তফা গত ১ ডিসেম্বর ২০২৫ স্থানীয়
সরকার বিভাগের এক অফিস আদেশে প্রধান প্রকৌশলী (রুটিন দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ
করেন। দায়িত্ব গ্রহণ করেই তিনি কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে গণহারে বদলি-পদায়ন
করে যাচ্ছেন। এমনকি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিলকেও তিনি পাত্তা
দিচ্ছেন না।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য গত ১১ সিসেম্বর,
২০২৫ তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল ঘোষণার পূর্বদিন অর্থাৎ ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে একটি আধা
সরকাররি পত্র দিয়েছেন। উক্ত পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্বাচন কাজ ব্যহত না হওয়ার লক্ষ্যে
নির্বাচন কমিশনের সাথে পূর্বালোচনা ব্যতীত সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগ তথা সরকারি, আধাসরকারি,
স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থাসমূহের কর্মচারীকে বদলি বা
ছুটি প্রদান করা যাবে না। কিন্তু এলজিইডি এ নির্দেশনার কোনো তোয়াক্কাই করছে না।
উল্লেখ্য গত ২১/১২/২০২৫ তালিখে সৈয়দ শফিকুল ইসলামকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে চলতি দায়িত্ব প্রদানপূর্বক খুলনা বিভাগে পদায়ন করা হলেও তিনি সেখানে দায়িত্ব পালন না করে
সার্বক্ষণিক প্রধান প্রকৌশলীর রুমে বসে থাকেন। সাথে থাকেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ গোলাম
ইয়াজদানী। তারা দুইজন কাজী গোলাম মোস্তফার প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব নেওয়ার পর হতেই
এলজিইডি ও সরকার বিরোধী বিভিনড়ব ধরনের কূট পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের পরামর্শ ব্যতীত
কোনো সাধারণ নথিও প্রধান প্রকৌশলী সই করেন না। এলজিইডিতে জনশ্রুতি রয়েছে বর্তমানে
এলজিইডিতে যত বদলি/পদায়ন হচ্ছে তা সৈয়দ শফিকুল ইসলাম এবং মোঃ গোলাম ইয়াজদানীর
ইচ্ছা মাফিক উচ্চ হারে উৎকচের বিনিময়ে। তারা দুইজন প্রধান প্রকৌশলী কাজী গোলাম মোস্তফার ঘুস আদায়ের প্রধান হাতিয়ার। তাদের কথার বাইওে কোনো বদলি/পদায়ন হয় না। প্র মে তাদের কাছে দেওয়া হয় প্রতিশ্রুতির অর্থ। তারপরে হয় বদলি বা পদায়ন। যাদের অর্থ রয়েছে তারাই হচ্ছেন বড় বড় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক বা প্রশসান শাখার মত ক্ষমতাশালী পদ। এই সুযোগটাকেই কাজে লাগাচ্ছে আওয়ামী সমর্থিত প্রকৌশলীরা। কারণ তাদের কাছে রয়েছে প্রচুর অবৈধ অর্থ। কোন যুক্তিসংগত কারণ ছাড়াই ও নির্বাচনী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এবং এর একটা অংশ স্থানীয় বিভাগের সচিবকে দিয়ে ও মাননীয় উপদেষ্টা মহোদয়কে ম্যানেজ করে বিভিনড়ব জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী বদলী ও বড় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের
পদ দখল করেছেন, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ, এলজিইডি শাখার বিভিনড়ব কর্মকর্তা। সম্প্রতি মোটা
অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের শীর্ষ দুই নেতা
চাঁদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান কবিরকে আম্পান প্রকল্প ও বগুড়া অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী
নাসির উদ্দীনকে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উনড়বয়ন প্রকল্প-
এর প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া সাবেক প্রধান প্রকৌশলী জাবেদ
করিম এলজিইডির বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের গঠিত কমিটির সদস্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ
মোশারফ হোসেনকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে বদলি করেন। জাতীয়
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষনার পর সৈয়দ শফিকুল ইসলাম ও মোঃ গোলাম ইয়াজদানীর
ইচ্ছায় প্রধান প্রকৌশলী কাজী গোলাম মোস্তফা মোঃ মোশারফ হোসেনকে বদলি করে সদর দপ্তরে নিয়ে
আসেন। মোঃ গোলাম ইয়াজদানীর প্রকিউরমেন্ট শাখায় দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এই শাখাটি
দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। চাহিদা মাফিক উৎকোচ না দিলে ইচ্ছা মাফিক জব- ঞবহফবৎ,
জব-বাধষঁঃরড়হ ইত্যাদি নানা ধরণের হয়রানি করা হচ্ছে এলজিইডির সারাদেশের ঞবহফবৎ
অনুমোদন নিয়ে। মোঃ গোলাম ইয়াজদানীর পুরো চাকুরিজীবনে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সেজে সুযোগ সুবিধা
নিলেও বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অনুসারী সাজার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন এবং
এই কারণে ইদানিং বিএনপির বিভিনড়ব প্রোগ্রামেউপস্থিত থেকে ফটোশুট করে বিভিনড়ব সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করেছেন।
সম্পতি নির্বাহী প্রকৌশলী (অর্থ) মোঃ জামাল হোসেনকে নিয়োগ ও পদায়ন শাখার নির্বাহী
প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জানা যায়, মোঃ জামাল হোসেন প্রধান প্রকৌশলীর উপর
চাপ সৃষ্টি করে এক প্রকার জোর করেই নিয়োগ ও পদায়ন শাখার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। একাজে
তাকে সহযোগিতা করেছেন আলোচিত সৈয়দ শফি-কুল ইসলাম এবং মোঃ গোলাম ইয়াজদানী। মোঃ
জামাল হোসেন অর্থ শাখার দায়িত্বে থাকায় উক্ত শাখার সকল নারী সহকর্মীদেরকে প্রতিনিয়ত
হয়রানি করে থাকেন। তাকে নিয়মিত উৎকোচ না দিলে চলে হয়রানি।খুলনা বিভাগের চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও এলজিইডির বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী
পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ শফিকুল ইসলাম এবং প্রকিউরমেন্ট শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী
মোঃ গোলাম ইয়াজদানী। কাজী গোলাম মোস্তফা গত ১ ডিসেম্বর ২০২৫ স্থানীয়
সরকার বিভাগের এক অফিস আদেশে প্রধান প্রকৌশলী (রুটিন দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ
করেন। দায়িত্ব গ্রহণ করেই তিনি কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে গণহারে বদলি-পদায়ন
করে যাচ্ছেন। এমনকি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিলকেও তিনি পাত্তা
দিচ্ছেন না।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য গত ১১ সিসেম্বর,
২০২৫ তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল ঘোষণার পূর্বদিন অর্থাৎ ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে একটি আধা
সরকাররি পত্র দিয়েছেন। উক্ত পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্বাচন কাজ ব্যহত না হওয়ার লক্ষ্যে
নির্বাচন কমিশনের সাথে পূর্বালোচনা ব্যতীত সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগ তথা সরকারি, আধাসরকারি,
স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থাসমূহের কর্মচারীকে বদলি বা
ছুটি প্রদান করা যাবে না। কিন্তু এলজিইডি এ নির্দেশনার কোনো তোয়াক্কাই করছে না।
উল্লেখ্য গত ২১/১২/২০২৫ তালিখে সৈয়দ শফিকুল ইসলামকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে চলতি দায়িত্ব প্রদানপূর্বক খুলনা বিভাগে পদায়ন করা হলেও তিনি সেখানে দায়িত্ব পালন না করে
সার্বক্ষণিক প্রধান প্রকৌশলীর রুমে বসে থাকেন। সাথে থাকেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ গোলাম
ইয়াজদানী। তারা দুইজন কাজী গোলাম মোস্তফার প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব নেওয়ার পর হতেই
এলজিইডি ও সরকার বিরোধী বিভিনড়ব ধরনের কূট পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের পরামর্শ ব্যতীত
কোনো সাধারণ নথিও প্রধান প্রকৌশলী সই করেন না। এলজিইডিতে জনশ্রুতি রয়েছে বর্তমানে
এলজিইডিতে যত বদলি/পদায়ন হচ্ছে তা সৈয়দ শফিকুল ইসলাম এবং মোঃ গোলাম ইয়াজদানীর
ইচ্ছা মাফিক উচ্চ হারে উৎকচের বিনিময়ে। তারা দুইজন প্রধান প্রকৌশলী কাজী গোলাম মোস্তফার ঘুস আদায়ের প্রধান হাতিয়ার। তাদের কথার বাইওে কোনো বদলি/পদায়ন হয় না। প্র মে তাদের কাছে দেওয়া হয় প্রতিশ্রুতির অর্থ। তারপরে হয় বদলি বা পদায়ন। যাদের অর্থ রয়েছে তারাই হচ্ছেন বড় বড় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক বা প্রশসান শাখার মত ক্ষমতাশালী পদ। এই সুযোগটাকেই কাজে লাগাচ্ছে আওয়ামী সমর্থিত প্রকৌশলীরা। কারণ তাদের কাছে রয়েছে প্রচুর অবৈধ অর্থ। কোন যুক্তিসংগত কারণ ছাড়াই ও নির্বাচনী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এবং এর একটা অংশ স্থানীয় বিভাগের সচিবকে দিয়ে ও মাননীয় উপদেষ্টা মহোদয়কে ম্যানেজ করে বিভিনড়ব জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী বদলী ও বড় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের
পদ দখল করেছেন, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ, এলজিইডি শাখার বিভিনড়ব কর্মকর্তা। সম্প্রতি মোটা
অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের শীর্ষ দুই নেতা
চাঁদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান কবিরকে আম্পান প্রকল্প ও বগুড়া অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী
নাসির উদ্দীনকে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উনড়বয়ন প্রকল্প-
এর প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া সাবেক প্রধান প্রকৌশলী জাবেদ
করিম এলজিইডির বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের গঠিত কমিটির সদস্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ
মোশারফ হোসেনকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে বদলি করেন। জাতীয়
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষনার পর সৈয়দ শফিকুল ইসলাম ও মোঃ গোলাম ইয়াজদানীর
ইচ্ছায় প্রধান প্রকৌশলী কাজী গোলাম মোস্তফা মোঃ মোশারফ হোসেনকে বদলি করে সদর দপ্তরে নিয়ে
আসেন। মোঃ গোলাম ইয়াজদানীর প্রকিউরমেন্ট শাখায় দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এই শাখাটি
দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। চাহিদা মাফিক উৎকোচ না দিলে ইচ্ছা মাফিক জব- ঞবহফবৎ,
জব-বাধষঁঃরড়হ ইত্যাদি নানা ধরণের হয়রানি করা হচ্ছে এলজিইডির সারাদেশের ঞবহফবৎ
অনুমোদন নিয়ে। মোঃ গোলাম ইয়াজদানীর পুরো চাকুরিজীবনে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সেজে সুযোগ সুবিধা
নিলেও বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অনুসারী সাজার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন এবং
এই কারণে ইদানিং বিএনপির বিভিনড়ব প্রোগ্রামেউপস্থিত থেকে ফটোশুট করে বিভিনড়ব সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করেছেন।
সম্পতি নির্বাহী প্রকৌশলী (অর্থ) মোঃ জামাল হোসেনকে নিয়োগ ও পদায়ন শাখার নির্বাহী
প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জানা যায়, মোঃ জামাল হোসেন প্রধান প্রকৌশলীর উপর
চাপ সৃষ্টি করে এক প্রকার জোর করেই নিয়োগ ও পদায়ন শাখার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। একাজে
তাকে সহযোগিতা করেছেন আলোচিত সৈয়দ শফি-কুল ইসলাম এবং মোঃ গোলাম ইয়াজদানী। মোঃ
জামাল হোসেন অর্থ শাখার দায়িত্বে থাকায় উক্ত শাখার সকল নারী সহকর্মীদেরকে প্রতিনিয়ত
হয়রানি করে থাকেন। তাকে নিয়মিত উৎকোচ না দিলে চলে হয়রানি।