প্রকাশিত:
১০ জানুয়ারী, ২০২৬

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ে পদার্পণ করতে ওয়াশিংটনে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেছেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে আয়োজিত এক গাম্ভীর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানে তিনি এই শপথ নেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি ঢাকায় এসে পৌঁছাবেন এবং রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
শুক্রবার ডেপুটি সেক্রেটারি অব স্টেট মাইকেল আর. ম্যাকফল ক্রিস্টেনসেনকে শপথবাক্য পাঠ করান।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের (স্টেট ডিপার্টমেন্ট) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। পিটার হাসের উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া এই নতুন দূতকে মার্কিন সিনেট ইতিপূর্বেই সর্বসম্মতিক্রমে নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছিল। শপথ গ্রহণ শেষে তিনি বলেন, "বাংলাদেশের সাথে অংশীদারিত্ব জোরদার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রচার করা আমার অগ্রাধিকার হবে।
শপথ নেওয়ার পর রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, আমি বাংলাদেশে ফিরে আসতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। একটি দেশ যেটিকে আমি ভালোভাবে জানি। আমি ঢাকায় দূতাবাসের এক শক্তিশালী দলকে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত। আমাদের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়া এবং প্রতিদিন নিরলস পরিশ্রম করে আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধিশালী করা।
নতুন এই রাষ্ট্রদূত আগামী ১২ জানুয়ারি ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
নবনিযুক্ত এই রাষ্ট্রদূত মার্কিন পররাষ্ট্র সেবার একজন অত্যন্ত অভিজ্ঞ কর্মকর্তা। তিনি এর আগে দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি এবং নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে তাঁর দীর্ঘ কাজের অভিজ্ঞতা থাকায় ঢাকাকে বিশেষ গুরুত্বের সাথে দেখছে ওয়াশিংটন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, “বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথগ্রহণকারী ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে স্বাগত জানাতে পেরে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আনন্দিত।”। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়েছেন, "যুক্তরাষ্ট্র আমাদের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী।আমরা আশা করি নতুন রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব আরও গভীর হবে।"