প্রকাশিত:
২৫ নভেম্বর, ২০২৫

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত এই জনগোষ্ঠীর জীবনধারা, অধিকার ও প্রাকৃতিক সম্পদে প্রবেশাধিকারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে চাই সরকার।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল শেয়ারিং মিটিং: ফ্রম ইমপ্যাক্ট টু অ্যাকশন’ অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ‘মুণ্ডা সম্প্রদায় জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে নাজুক জনপদগুলোর একটি। পানির সংকট, ভূমি সমস্যা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তাদের জীবনকে আরও দুর্বিষহ করছে।’
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান দুঃখ প্রকাশ করেন যে বহু ক্ষেত্রে মুণ্ডা সম্প্রদায়ের প্রথাগত অধিকার উপেক্ষিত হয় এবং বন ও প্রাকৃতিক সম্পদে তাদের অভিগম্যতায় বাধা সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, ‘আপনাদের প্রয়োজন, প্রথাগত জীবনধারা ও অধিকারকে সম্মান জানিয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে আমরা সদা প্রস্তুত।’
সভায় বক্তারা মুণ্ডাদের অধিকার সুরক্ষা, টেকসই সম্পদব্যবহার, উন্নয়ন পরিকল্পনায় তাদের অংশগ্রহণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।