প্রকাশিত:
২১ জানুয়ারী, ২০২৬

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বিগত সরকারের অপরিকল্পিত ব্যয়ের খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
তিনি উল্লেখ করেন, “পদ্মা সেতুতে বিপুল অর্থ ব্যয় না করে যদি সেই টাকা সেচ (ইরিগেশন) খাতে বিনিয়োগ করা হতো, তবে চালের দাম প্রতি কেজিতে অন্তত ৫ টাকা কমে আসত।”
তাঁর মতে, সেতুর নির্মাণ ব্যয় এবং বর্তমান ঋণের দায় পরিশোধের চাপের কারণে উল্টো চালের দাম কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
উপদেষ্টা সতর্ক করে তিনিবলেন, আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের ভারসাম্য বা উদ্বৃত্ত তৈরি করতে না পারলে তা রাষ্ট্রের জন্য ‘টিউমারের’ মতো সমস্যা সৃষ্টি করবে।
বিগত সরকারের উন্নয়ন দর্শনের সমালোচনা করে শেখ বশির উদ্দীন অভিযোগ করেন, "হাসিনা সরকারের মূল লক্ষ্য ছিল কেবল ‘ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি’ ঘটানো, আয় বাড়ানো নয়।"
তিনি আরও বলেন, "অধিকাংশ স্থলবন্দরের কোনো প্রয়োজন ছিল না, অথচ হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের প্রায় ৯০ শতাংশ অর্থই ব্যয় হয়ে গেছে কিন্তু কোনো কার্যকারিতা নেই।”
তিনি আরও জানান, 'বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মূল লক্ষ্য আয়ের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা, যাতে রাষ্ট্রের ওপর ঋণের বোঝা না বাড়ে।'
আগামী গণভোট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, "নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ সুগম করতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা জরুরি।"
তিনি বলেন, 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্য তিনি নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান।'
গত তিনটি নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা পদে থেকে নামধারী নির্বাচন করেছেন, যেখানে জনগণের মতামতের প্রতিফলন ছিল না।"
নিরপেক্ষ ব্যবস্থার অধীনে যার জনসমর্থন বেশি, সেই দলই ক্ষমতায় আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।