প্রকাশিত:
১৫ নভেম্বর, ২০২৫

গতকাল শুক্রবার ১৪ নভেম্বর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। এসব বাজারে শিম কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, টমেটো কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা, গাজর কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা, মূলা ৪০ টাকা, ফুলকপি প্রতিটি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বাঁধাকপি প্রতিটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং লাউ প্রতিটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি ঝিঙা ৬০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর লতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, পটোল ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা এবং ধুন্দল ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এসব বাজারে কাঁচামরিচ কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে প্রকারভেদে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। লেবুর হালি ২০ থেকে ৩০ টাকা, ধনে পাতা কেজিতে ৩০০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চালকুমড়া প্রতিটি ৫০ টাকা ও কেপসিক্যাম ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এসব বাজারে লালশাক প্রতি আঁটি ১৫ টাকা, লাউশাক ৪০ টাকা, কলমিশাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পুঁইশাক ৪০ টাকা এবং ডাঁটাশাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে আলু ২০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা কমে ১০০ থেকে ১০৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতারা বলছেন, শীতকালীন সবজির দাম অনেক বেশি। ৬০-৭০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই।শীতের মৌসুমেও বাড়তি দামে সবজি কিনতে হলে আর কিছু বলার নেই। এটি ব্যবসায়ীদের কারসাজি ছাড়া আর কিছুই নয়।
ব্যবসায়ীদের দাবি, বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করলেও সেটি চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত নয়। এছাড়া কয়েক দিন ধরে সরবরাহের পরিমাণও কিছুটা কমেছে। এতে বাড়ছে দাম। রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতারা বলছেন, ‘চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম। শীতকালীন সবজি বাজারে কম আসছে। বাজারে প্রভাব পড়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতারও।’
এসব বাজারে সোনালি কক মুরগি কেজিতে ১০ টাকা কমে ২৮০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৭০ থেকে ৫৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এসব বাজারে গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা। দেশি আদা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা,দেশি মশুর ডাল ১৬০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা এবং খেসারির ডাল ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা, হাঁসের ডিম ২১০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১১০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিম প্রতি হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।পিছিয়ে নেই চালের বাজারও।