প্রকাশিত:
গতকাল

সম্প্রতি অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম চালুর ঘোষণা দেয় সরকার। এর প্রতিবাদে মোবাইল ব্যবসায়ীরা আন্দোলনে নামেন এবং দাবি করেন যে, এতে ফোনের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে। উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), এনবিআর ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করে শুল্ক কমানোর প্রতিশ্রুতি দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের সভায় শুল্ক ছাড়ের এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।
আমদানিকারকদের মতে, বর্তমানে হ্যান্ডসেট আমদানিতে সব মিলিয়ে প্রায় ৬১ শতাংশ ভ্যাট ও ট্যাক্স দিতে হয়। কাস্টমস ডিউটি ১৫ শতাংশ কমায় মোট করভারে এর প্রভাব পড়বে প্রায় ২০ শতাংশ।
৪০ হাজার টাকার একটি স্মার্টফোনের দাম কমতে পারে প্রায় ৮ হাজার টাকা। ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের ফোনে গড়ে ৫,৫০০ টাকা সাশ্রয় হবে।
আমদানিকৃত ফোনের দাম কমলে দেশীয় সংযোজন শিল্প যেন অসম প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে, সেদিকেও নজর দিয়েছে এনবিআর। স্থানীয় ৯টি মোবাইল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের সুবিধার্থে যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এতে দেশে তৈরি ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের ফোনের দাম অন্তত ১,৫০০ টাকা কমবে।
এনবিআর আশা করছে, বৈধ ফোনের দাম কমলে গ্রাহকরা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আসা 'আনঅফিশিয়াল' বা নকল ফোন কেনা থেকে বিরত থাকবেন। এতে যেমন অপরাধমূলক কাজে মোবাইল ফোনের অপব্যবহার কমবে, তেমনি সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে।