প্রকাশিত:
১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর শুক্র ও শনিবার (১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা চার দিন ব্যাংক বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এই দীর্ঘ ছুটিতে জ্বালানি তেলের ডিলারদের তেল ক্রয়ের অর্থ পরিশোধে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেই লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়।
তারই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএমএডি) মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জ্বালানি তেল বিক্রির অর্থ জমা ও ড্রাফট তৈরির জন্য নির্দিষ্ট এলাকায় নিচের ব্যাংকগুলোর শাখা খোলা থাকবে:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি: ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ), খালিশপুর (খুলনা), পার্বতীপুর (দিনাজপুর), শাপলা চত্বর (রংপুর), আগ্রাবাদ (চট্টগ্রাম), চাঁদপুর প্রধান শাখা, ঝালকাঠি শাখা, বরিশাল শাখা, ভৈরব বাজার (কিশোরগঞ্জ) এবং বড়ই কান্দি (সিলেট)।
উত্তরা ব্যাংক পিএলসি: খালিশপুর (খুলনা) শাখা।
জনতা ব্যাংক পিএলসি: বাঘাবাড়ী ঘাট (সিরাজগঞ্জ) শাখা।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি: বাঘাবাড়ী ঘাট (সিরাজগঞ্জ) শাখা।
ওয়ান ব্যাংক পিএলসি: পার্বতীপুর (দিনাজপুর) উপশাখা।
নির্বাচন উপলক্ষে বুধবার ও বৃহস্পতিবার সব ব্যাংক পূর্ণদিবস বন্ধ থাকবে। তবে শনিবার উপরোক্ত নির্দিষ্ট শাখাগুলোতে শুধুমাত্র জ্বালানি তেল সংশ্লিষ্ট ডিলারদের লেনদেনের জন্য সীমিত সময়ের জন্য কাউন্টার খোলা রাখা হবে। সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে অন্য কোনো লেনদেন হবে কি না, তা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর নিজস্ব নির্দেশনার ওপর নির্ভর করবে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, "দীর্ঘ ছুটির কারণে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার যে আশঙ্কা ছিল, এই সিদ্ধান্তের ফলে তা কেটে গেল।"