প্রকাশিত:
১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, “আপনাদের সম্পর্কে অসম্ভব খারাপ ধারণা নিয়ে এসেছিলাম। আজ আমি ‘গ্র্যাটিচিউড’ (কৃতজ্ঞতা) নিয়ে ফিরে যাচ্ছি। আমি মনে করি আপনারা দেশের সম্পদ। সঠিক নেতৃত্ব থাকলে আপনারা কাজ করতে পারেন, গত কয়েক মাসে আপনারা সেটাই প্রদর্শন করেছেন।”
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে বিদায়ী উপদেষ্টা বলেন, “অভ্যুত্থান আমাদের যে পরিবর্তন এনে দিয়েছে, সেই পরিবর্তনটা আপনাদের আচরণে আসতে হবে। কেউ অন্যায্য কাজ করাতে চাইলে আপনাদের সাহসের সঙ্গে বলতে হবে যে এটা সম্ভব না। অথবা বিনয়ের সঙ্গে সঠিক পথটি দেখিয়ে দিতে হবে।”
আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নতুন নেতৃত্ব আসার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন মন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করতে হবে। কোনো বিষয়ে দ্বিমত থাকলে তা সরাসরি জানাতে কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করেন তিনি।
নিজের কাজের মূল্যায়ন করতে গিয়ে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, “বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর নৈতিকতার প্রশ্নে কখনও আপস করিনি, কখনও করবও না। আমি বাংলাদেশের জন্য কাজ করেছি, আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য কাজ করেছি। এই কাজে মন্ত্রণালয়ের সব উইং ও দপ্তর-সংস্থা সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পেরেছে। এই সুখস্মৃতি নিয়ে আমি আমার নিজ কাজে ফিরে যাচ্ছি।”
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বিদায় সংবর্ধনায় আরও বক্তব্য দেন অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুর রহিম খান, আয়েশা আক্তার, চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ এবং প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন এ এইচ এম আহসান। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও দপ্তর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।