প্রকাশিত:
২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আমদানিকৃত পণ্য বিনা ভাড়ায় বন্দরে চার দিন রাখা যায়। এরপর থেকে ব্যবসায়ীদের প্রতিদিনের জন্য অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়। মন্ত্রী জানান, চার দিনের মধ্যে শুল্কায়ন ও খালাস সম্পন্ন হলে ব্যবসায়ীদের এই বাড়তি ভাড়া দিতে হবে না, যা সরাসরি পণ্যের উৎপাদন খরচ ও বাজারমূল্য কমাতে সহায়তা করবে।
মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন"রোজার নিত্যপণ্যের খালাসে এখন কিছুটা ধীরগতি রয়েছে। এগুলো দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে যাতে বাজারে দাম না বাড়ে। চট্টগ্রাম বন্দরকে ঘিরে স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে যে ধীরগতি তৈরি হয়েছে, সেটিই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।"
বৈঠকে উপস্থিত স্টেকহোল্ডারদের অভিযোগ ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হলো:
২৪ ঘণ্টার দাবি: ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য খালাসের দাবি জানান।
জটিলতা নিরসন: কাস্টমস কমিশনার জানান, নমুনা পরীক্ষাসহ কিছু কারণে দেরি হয়। মন্ত্রী এই বাধাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের নির্দেশ দেন।
সমন্বিত উদ্যোগ: বন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের নিজস্ব স্বার্থের কারণে কাজে যে ব্যাঘাত ঘটে, তা বন্ধ করার কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।
আন্তমন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত: কিছু সমস্যার সমাধানের জন্য আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকের প্রয়োজন, যা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন।
এর আগে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তার সরকারের অগ্রাধিকার থাকবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি। তিনি চট্টগ্রামকে প্রকৃত অর্থেই একটি আধুনিক বাণিজ্যিক রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি আরও যোগ করেন, "একটি নির্বাচিত সরকার ও গণতান্ত্রিক অর্ডার ফিরে এসেছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।"
মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার চট্টগ্রামে আসায় নেতা-কর্মীরা তাকে বিমানবন্দরে এবং পরবর্তীতে তার কাট্টলীর পৈতৃক নিবাসে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। সেখানে তিনি মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন। বিকেলে মেহেদীবাগের বাসভবনে ভিড় সামলাতে পুলিশকে বেশ হিমশিম খেতে হয়।