প্রকাশিত:
গতকাল

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট আইইইপিএ-এর অধীনে আরোপিত এই পাল্টা শুল্ককে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে। আদালতের রায়ের পর তিন দিন অতিবাহিত হলেও বন্দরে শুল্ক আদায় অব্যাহত ছিল। সিবিপি তাদের কার্গো সিস্টেম মেসেজিং সার্ভিসে (সিএসএমএস) আমদানিকারক ও জাহাজ মালিকদের জানিয়েছে যে, মঙ্গলবার থেকে এই সংক্রান্ত সমস্ত শুল্ক কোড নিষ্ক্রিয় করা হবে।
আইইইপিএ শুল্ক অবৈধ ঘোষিত হলেও দমে যাননি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি ভিন্ন আইনের আশ্রয় নিয়ে প্রথমে বিশ্বজুড়ে ১০ শতাংশ এবং পরবর্তীতে ১৫ শতাংশ নতুন শুল্ক আরোপ করেছেন। সিবিপি পরিষ্কার করেছে যে, আইইইপিএ শুল্ক বন্ধ হলেও নিচের শুল্কগুলো অপরিবর্তিত থাকবে:
২৩২ নম্বর ধারা: জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত শুল্ক।
৩০১ নম্বর ধারা: অন্যায় বাণিজ্য চর্চা বিরোধী শুল্ক।
রয়টার্সের তথ্যমতে, আদালতের এই রায়ের ফলে গত কয়েক বছরে আইইইপিএ শুল্ক খাত থেকে আদায় করা প্রায় ১৭৫ বিলিয়ন (১৭ হাজার ৫০০ কোটি) ডলার আমদানিকারকদের ফেরত দিতে হতে পারে মার্কিন সরকারকে। একটি গবেষণা বলছে, এই আইন ব্যবহার করে প্রতিদিন গড়ে ৫০ কোটি ডলারের বেশি রাজস্ব আদায় করত যুক্তরাষ্ট্র। তবে সংগৃহীত এই বিপুল অর্থ কীভাবে বা কবে নাগাদ ফেরত দেওয়া হবে, সে বিষয়ে সিবিপি এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেয়নি।
আমদানিকারক ও বণিক সম্প্রদায়ের জন্য সিবিপি জানিয়েছে যে, ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত নির্দেশিকা বা গাইডলাইন আনুষ্ঠানিক বার্তার মাধ্যমে জানানো হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।