news@weeklyinqilab.com|| 86-11 101 AVENUE, OZONE PARK, NY, 11416, USA
ব্রেকিং:

অর্থনীতি

এসএমই তহবিল থেকে ২ কোটি টাকা ‘নগদ উত্তোলন’: বিদেশ প্রশিক্ষণের নামে লুটপাটের অভিযোগ

Next.js logo

প্রকাশিত:

২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নিউজটি শেয়ার করুন:

নাঈমা জামান স্বর্নালী: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের বিকাশের জন্য গঠিত বিশেষ তহবিল থেকে ২ কোটি টাকা নগদে তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। বিদেশ প্রশিক্ষণের নামে এই অর্থ তোলা হলেও তা প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার না করে নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাঁটোয়ারা করা হয়েছে বলে একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।

Thumbnail for এসএমই তহবিল থেকে ২ কোটি টাকা ‘নগদ উত্তোলন’: বিদেশ প্রশিক্ষণের নামে লুটপাটের অভিযোগ
ইনকিলাব

অভিযুক্ত কর্মকর্তা ও সফরের বিবরণ বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে তিন দফায় দুই মাসে পাঁচটি দেশ সফর করেন চার কর্মকর্তা। তাঁরা হলেন:


মুনিরা ইসলাম, পরিচালক

তারিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পরিচালক

টুটুল হোসেন মল্লিক, অতিরিক্ত পরিচালক

প্রশান্ত মোহন চক্রবর্ত্তী, যুগ্ম পরিচালক

এই কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণের জন্য থাইল্যান্ড, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়া সফর করেন।

 

নিয়ম লঙ্ঘন ও অনিয়মের ধরন সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা সরকারি খরচে বিদেশে প্রশিক্ষণে গেলে তার মাশুল বা ফি ‘ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট’ বিভাগের মাধ্যমে ব্যাংকিং চ্যানেলে বিদেশে পাঠাতে হয়। কিন্তু অভিযুক্ত কর্মকর্তারা কোনো অর্থই বৈধ পথে পাঠাননি।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে:

১. প্রশিক্ষণের সম্পূর্ণ অর্থই নগদ আকারে উত্তোলন করা হয়েছে।

২. যেসব প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর আয়োজক ছিল বিভিন্ন দেশের ট্রাভেল এজেন্সি, কোনো স্বীকৃত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নয়।

৩. প্রশিক্ষণের নামে তোলা এই বড় অংকের টাকা কোনো স্বীকৃত মাধ্যমে ব্যয় না করে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার জোরালো অভিযোগ উঠেছে।


আলোচিত এই অর্থ মূলত ২০১৭ সালে গঠিত ২৪ কোটি মার্কিন ডলারের ‘সেকেন্ড স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম সাইজড এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এসএমইডিপি-২)’ পুনঃ অর্থায়ন তহবিলের অংশ। এই তহবিলের লক্ষ্য ছিল স্বল্প সুদে উদ্যোক্তাদের ঋণ দিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। ২০২৪ সালে মূল প্রকল্প শেষ হওয়ার পর এর অবশিষ্টাংশ দিয়ে ২০২৫ সালে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার নতুন তহবিল গঠিত হয়। ওই তহবিলের আয় থেকেই কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল, যেখান থেকে ২ কোটি টাকা আত্মসাতের এই অভিযোগ উঠেছে।

 

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, প্রশিক্ষণের অর্থ তহবিলের হিসাব থেকে তোলা হয়েছে এবং কর্মকর্তারা দাবি করেছেন যে তারা তৃতীয় পক্ষের (থার্ড পার্টি) মাধ্যমে সব আয়োজন সম্পন্ন করেছেন। তবে অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, “টাকা কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে, তা আমরা পরীক্ষা করে দেখব।”

 

অন্যদিকে, অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে একজনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং এ বিষয়ে মুখপাত্রের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন।

বিজ্ঞাপন কর্নার

আমাদের সম্পর্কে

সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতিঃ শাহ নেওয়াজ

উপদেষ্টা সম্পাদকঃ পাভেল মাহমুদ

ইংরেজি পাতার সম্পাদকঃ ফুহাদ হোসেন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ বদরুদ্দোজা সাগর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোহাম্মদ জাহিদ আলম

স্টেশন ইনচার্জঃ মো: মিদুল ইসলাম মৃদুল

টেকনিক্যাল ইনচার্জঃ মো: রাশেদুজ্জামান রাজু

অনুসরণ করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

এসএমই তহবিল থেকে ২ কোটি টাকা ‘নগদ উত্তোলন’: বিদেশ প্রশিক্ষণের নামে লুটপাটের অভিযোগ