প্রকাশিত:
১ ঘন্টা আগে

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাহাজটি বন্দরের বেসক্রিকে নোঙর করে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে এই চাল খালাস ও পরিবহন কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
খাদ্য অধিদপ্তরের মোংলা সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক মুহাম্মদ আব্দুল সোবহান সরদার জানান, বুধবার বিকেলে জাহাজ থেকে চালের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা ও খুলনার ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। ল্যাব পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক হওয়া সাপেক্ষে আজ সন্ধ্যা থেকেই চাল নামানোর কাজ শুরু হবে। নমুনা সংগ্রহ প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আব্দুল কাদের আজাদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
খালাসকৃত এই চাল নদীপথে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার খাদ্য গুদামগুলোতে পাঠানো হবে। পুরো খালাস প্রক্রিয়া শেষ করতে ৪ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
খাদ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জিটুজি চুক্তির অধীনে সরকার ভারত, মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে মোট ৮ লাখ টন চাল আমদানির পরিকল্পনা নিয়েছে।
এর মধ্যে মোংলা বন্দর দিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ২৫ হাজার মেট্রিক টন চালের আমদানি সম্পন্ন হয়েছে।
বাজারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই চাল ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে খাদ্য বিভাগ।