প্রকাশিত:
২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ফ্রান্সের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ভারতীয় নির্মাতা সুমন সেন। সিনেমার চিত্রনাট্য নির্মাতার সঙ্গে যৌথভাবে লিখেছেন বাংলাদেশের বিজন ইমতিয়াজ।
সিনেমাটির গল্প আবর্তিত হয়েছে নেপালের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল মুস্তাংয়ের চার কিশোরকে ঘিরে। দারিদ্র্য ও প্রতিকূলতার মাঝেও তারা একটি পরিত্যক্ত বাসকে নিজেদের রিহার্সাল রুমে পরিণত করে এবং একটি ব্যান্ড প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার স্বপ্ন দেখে। তাদের সেই স্বপ্নের পথে বাধা ও তা অতিক্রম করার আখ্যানই এই সিনেমার মূল উপজীব্য।
সিনেমাটির একটি বিশেষ দিক হলো এর অভিনয়শিল্পীরা পেশাদার নন। মুস্তাংয়ের লো মান্থাংয়ে বেড়ে ওঠা এসব শিশুদের পোখারার শরণার্থীশিবির ও বিভিন্ন স্কুল থেকে প্রায় ১০০ জন শিশুর অডিশন নিয়ে চূড়ান্ত করা হয়েছিল।
পরিচালক সুমন সেন বলেন, "এই শিশুরাই ছবির প্রাণ। তারা নীরবতার মধ্য দিয়েই গভীর অনুভূতি প্রকাশ করতে সক্ষম। আমাদের মধ্যে এক অদৃশ্য বন্ধন তৈরি হয়েছিল, যা পর্দায় ফুটে উঠেছে।"
‘দ্য সাইলেন্ট ইকো’ এক নজরে:
পুরস্কার: ১৫টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার জয়।
উৎসব: ৮০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত।
দেশ: ২০টির বেশি দেশে প্রদর্শিত হয়েছে।
নির্মাণকাল: ২০২১ সাল।
প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গুপি বাঘা প্রোডাকশনস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সাফল্যের পর এবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ায় সাধারণ দর্শকেরা ঘরে বসেই এটি উপভোগ করতে পারবেন। নির্মাতা সুমন সেন বর্তমানে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘একা’ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন, যা ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হচ্ছে।