প্রকাশিত:
গতকাল

জানা গেছে, আগামী ১৬ জানুয়ারি স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।
বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৯০৫ সালে যে অভাবনীয় ‘লেডিল্যান্ড’-এর স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই গল্প এবার অ্যানিমেশনের রঙে রঙিন হয়ে বড় পর্দায় আসছে। স্প্যানিশ নির্মাতা ইসাবেল হারগুয়েরার পরিচালনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাড়া জাগানো সিনেমা ‘সুলতানাস ড্রিম’ আগামী ১৬ জানুয়ারি থেকে ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সের শাখাগুলোতে প্রদর্শিত হবে।
স্প্যানিশ নির্মাতা ইসাবেল হারগুয়েরা পরিচালিত ৮৬ মিনিটের এই অ্যানিমেশন ছবির মূল নাম ‘এল সুয়েনো দে লা সুলতানা’। ২০২৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর স্পেনের সান সেবাস্তিয়ান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এর প্রিমিয়ার হয়।
সিনেমাটির মূল নাম ‘এল সুয়েনো দে লা সুলতানা’ (El Sueño de la Sultana)। নির্মাতা ইসাবেল হারগুয়েরা প্রায় এক দশক আগে ভারতে ভ্রমণকালীন প্রথম বেগম রোকেয়ার এই বইটির সন্ধান পান। ১৯০৫ সালে একজন মুসলিম নারীর লেখা এমন প্রগতিশীল ও নারীবাদী কল্পকাহিনী তাকে এতটাই মুগ্ধ করে যে, তিনি এটিকে চলচ্চিত্রে রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
সিনেমাটি ইতিমধ্যে বিশ্বের প্রথম সারির বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। স্পেনের বিখ্যাত ‘সান সেবাস্তিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এ এর প্রিমিয়ার হওয়ার পর থেকেই এটি সমালোচকদের ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার জয় করেছে।
ছবিটিতে বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি, ইতালিয়ান, স্প্যানিশ ও বাস্ক—ছয়টি ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। এতে রয়েছে মৌসুমী ভৌমিকের লেখা একটি গান, যার সংগীতায়োজন করেছেন তাজদির জুনায়েদ এবং কণ্ঠ দিয়েছেন দীপান্বিতা আচার্য।
সিনেমাটি ইতিমধ্যে বিশ্বের প্রথম সারির বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। স্পেনের বিখ্যাত ‘সান সেবাস্তিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এ এর প্রিমিয়ার হওয়ার পর থেকেই এটি সমালোচকদের ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার জয় করেছে।
বেগম রোকেয়ার জন্মভূমি বাংলাদেশে এই চলচ্চিত্রটি দেখার জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষায় ছিলেন সংস্কৃতিমনা দর্শকরা। স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৬ জানুয়ারি থেকে বসুন্ধরা সিটিসহ তাদের গুরুত্বপূর্ণ আউটলেটগুলোতে সিনেমাটির বিশেষ প্রদর্শনী চলবে।
চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের মতে, ‘সুলতানাস ড্রিম’ কেবল একটি বিনোদনমূলক সিনেমা নয়, বরং এটি বেগম রোকেয়ার আদর্শকে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে নতুনভাবে তুলে ধরার একটি প্রয়াস। আধুনিক প্রজন্মের কাছে রোকেয়ার দর্শন ও সাহসিকতাকে পরিচয় করিয়ে দিতে এই চলচ্চিত্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।