প্রকাশিত:
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

রাসেল ক্রো টিকটকে কোনো তারকাসুলভ প্রচার নয়, বরং নিজের শখের কথা জানাতে বেছে নিয়েছেন ‘igp366’ নামক একটি অ্যাকাউন্ট। তাঁর নিজস্ব ব্র্যান্ড ‘ইনডোর গার্ডেন পার্টি’র সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে সেখানে অনুসারীর সংখ্যা ৩২ হাজার ছাড়িয়েছে। নিজের বায়োতে তিনি স্পষ্ট করেছেন—এখানে আলাপ হবে শুধু ঘড়ি আর ব্র্যান্ড নিয়ে।
ভিডিওতে ক্রো জানান, তিনি ঘড়ির সংগ্রহের ব্যাপারে ‘আক্ষরিক অর্থেই নিবেদিতপ্রাণ’। তাঁর কালেকশনে রয়েছে রোলেক্স, টুডার ও ওমেগার মতো বিশ্ববিখ্যাত সব ব্র্যান্ড। নজরকাড়া কয়েকটি তথ্য হলো:
রোলেক্স ডেটোনা: গত জুলাইয়ে উইম্বলডনে পরা এই ঘড়িটির মূল্য প্রায় ৪০ হাজার ৬০০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৬ লাখ টাকা)।
ওমেগা সিমস্টার ডাইভার ৩০০এম: জেমস বন্ডের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তৈরি এই বিশেষ ঘড়িটির দাম প্রায় ৯ হাজার ৪০০ ডলার। মজার ব্যাপার হলো, ২০০১ সালে বন্ড চরিত্রে অভিনয়ের তালিকায় ক্রোর নাম থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা করেছিলেন ড্যানিয়েল ক্রেইগ।
টিফানি ব্লু ডায়াল: স্যুটের হাতার নিচ থেকে এই রঙের উঁকি দেওয়াটাই ক্রোর কাছে এক ধরনের ‘সূক্ষ্ম নাটকীয়তা’।
ভক্তদের সবচেয়ে বেশি চমকে দিয়েছে ভিডিওর পটভূমি। সেখানে দেখা গেছে, ২০০১ সালে ‘গ্ল্যাডিয়েটর’ ছবির জন্য জেতা তাঁর সেই ঐতিহাসিক সোনালি অস্কার মূর্তিটি ঘরের এক কোণে প্রায় নির্লিপ্তভাবে পড়ে আছে। অভিনয়ের সর্বোচ্চ স্বীকৃতিকে এভাবে সাধারণ স্মারকের মতো রেখে দিয়ে ঘড়ি নিয়ে মেতে থাকাকে ভক্তরা ‘আল্টিমেট ফ্লেক্স’ হিসেবে অভিহিত করছেন।
ঘড়ির প্রতি এই অনুরাগ ক্রোর দীর্ঘদিনের। ২০১৮ সালে ‘আর্ট অব ডিভোর্স’ নিলামে তিনি পানেরাই, কার্টিয়ের ও শোপার্ডসহ ২৪টি ঘড়ি বিক্রি করেছিলেন। অভিনেতা নিজেই জানিয়েছেন, ছোটবেলায় তাঁর কোনো দামি ঘড়ি ছিল না। বড় হয়ে সেই অভাব মেটাতেই এখন প্রতিটি ঘড়িকে তিনি জীবনের একেকটি অধ্যায়ের স্মারক হিসেবে দেখেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের রসিকতা— “এক সময় কলোসিয়ামে লড়াই করতেন, আর এখন লড়ছেন এক্সক্লুসিভ ঘড়ির অ্যালোকেশন পেতে!”