প্রকাশিত:
৩ জানুয়ারী, ২০২৬

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৯ ভাগ।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের আব্দুল খালেক বলেন, কাজ না করলে পেটে ভাত জোটে না। কাজ না করলেও চলে না। তবুও এই শীতে কাজ করতে বেরিয়েছি। কাজ করলে হাত-পা যন্ত্রণা করে, শরীর কামড়ায়।
মোগলবাসা ইউনিয়নের জয়নাল আবেদিন বলেন, অতিরিক্ত শীত ও ঠান্ডার কারণে আমার ছোট সন্তানের কয়েক দিন ধরে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছে। দেখি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাবো।
ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষক আলম মিয়া বলেন, যে শীত আর ঠান্ডা শুরু হইছে এতে বেগুনের আবাদের খুব ক্ষতি হবে। ধারদেনা করে এতো আবাদ করেছি যদি বেগুন না হয় তাহলে ক্ষতির মুখে পড়বো।