প্রকাশিত:
৪ নভেম্বর, ২০২৫

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) পাকিস্তানের ইসলামাবাদে এসডিপিআই-এর বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বায়ুদূষণ, প্লাস্টিক দূষণ, পানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু বিপর্যয়ের মতো যৌথ সংকট মোকাবেলায় দক্ষিণ এশিয়াকে এখনই সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবেশ সুরক্ষা ও উন্নয়ন একে অপরের বিকল্প নয়; ভবিষ্যতের উন্নয়নের কেন্দ্রে থাকতে হবে টেকসইতাকে।
উপদেষ্টা নদী শাসন, ন্যায্য পানি বণ্টন ও প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আঞ্চলিক সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে জানান, দক্ষিণ এশিয়া ইতিমধ্যে ঘনঘন বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, তাপপ্রবাহের পাশাপাশি ধীরগতির জলবায়ু বিপর্যয়ের মুখোমুখি। বাংলাদেশ একাই তার জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনায় প্রয়োজন ২৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বৈশ্বিক অর্থায়ন না এলে আমরা অপেক্ষা করব না; জাতীয় ও আঞ্চলিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান শাসনব্যবস্থা জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ; বৈশ্বিক বহুপাক্ষিকতা দুর্বল হচ্ছে এবং বৈষম্য, ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও জলবায়ু পরিবর্তন নতুন বিশ্বব্যবস্থাকে তৈরি করছে। তবে নতুন প্রজন্মের প্রতি আস্থা রেখে তিনি বলেন, তারা যুক্ত, সচেতন এবং প্রভাবিত হওয়ার মতো নয়—তাদের হাতেই তৈরি হচ্ছে নতুন বিশ্বব্যবস্থা।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী প্রফেসর আহসান ইকবাল, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, জাপানের আইজিইএস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর কাজুহিকো তাকেওচি, পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান, এসডিপিআই চেয়ারম্যান অ্যাম্বাসেডর শফকত কাকাখেল, এসডিপিআই নির্বাহী পরিচালক ড. আবিদ কাইয়ুম সুলেরি এবং এআইওইউ-এর ড. ইরশাদ আহমদ আরশাদ।