প্রকাশিত:
১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

দেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি যথেষ্ট বেশি। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ ভারতীয়, ইউরেশিয়ান এবং বার্মা প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ভারতের প্লেট প্রতি বছর প্রায় ৬ সেমি উত্তর-পূর্ব দিকে এবং ইউরেশিয়ান প্লেট প্রতি বছর প্রায় ২ সেমি উত্তর দিকে সরছে। ফলে দেশের বেশ কয়েকটি প্রধান ফল্ট লাইনের কাছাকাছি অবস্থান (যেমন বগুড়া, ত্রিপুরা, শিলং মালভূমি, ডাউকি ও আসাম ফল্ট) বাংলাদেশকে ১৩টি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের মধ্যে রাখে।
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং সিলেটের জৈন্তাপুর অঞ্চলের ভূমিকম্প ঝুঁকি সর্বাধিক। ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোর মধ্যে একটি এবং ২০টি ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ শহরের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।
এর আগে, শনিবার ভোর ৩:২৮ মিনিটে আফগানিস্তানের ৪.০ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পটি ৪০ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে এবং অক্ষাংশ ছিল ৩৬.৪০ উত্তর, দ্রাঘিমাংশ ৬৮.৯২ পূর্ব।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, দেশব্যাপী সম্ভাব্য বড় ধরনের ভূমিকম্প মোকাবেলায় প্রস্তুতি, জনসচেতনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।