প্রকাশিত:
১৩ জানুয়ারী, ২০২৬

গাজায় সাত দিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর পুনরায় শুরু করা নির্বিচার হামলায় অন্তত ১০০ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ (UNICEF) আজ মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, গাজা উপত্যকা আবারও শিশুদের জন্য এক জীবন্ত ‘নরক’ এবং বিশ্বের সবচাইতে বিপজ্জনক স্থানে পরিণত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ-এর মুখপাত্র জেমস এল্ডার জেনেভায় সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এল্ডার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে অত্যন্ত ভারাক্রান্ত কণ্ঠে বলেন:
“গাজায় এখন কোনো নিরাপদ এলাকা অবশিষ্ট নেই। গত কয়েক দিনে আমরা যে শিশুদের মৃত্যু দেখেছি, তা অবর্ণনীয়। যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর থেকে প্রতি ঘণ্টায় শিশুদের প্রাণ যাচ্ছে। গাজার দক্ষিণ অংশ—যেখানে আগে নিরাপদ মনে করা হতো—সেখানেও এখন অবিরাম বোমাবর্ষণ চলছে।”
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই রক্তপাত বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “গাজায় যা ঘটছে তা মানবতার পরাজয়।” ইউনিসেফ সতর্ক করেছে যে, যদি অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হয় এবং মানবিক সহায়তার ট্রাকগুলোকে অবাধে ঢুকতে দেওয়া না হয়, তবে বোমার আঘাতের চেয়ে অনাহার ও রোগব্যাধিতে বেশি শিশুর মৃত্যু ঘটবে।
জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, কেবল প্রাণহানিই নয়, গাজার বেঁচে থাকা শিশুরাও এখন চরম মানবিক সংকটের মুখোমুখি।