প্রকাশিত:
গতকাল

নির্বাচনী প্রচার–প্রচারণার সময়কার সেই পরিচিত বক্তব্যের সূত্র ধরে ট্রাম্প আরও বলেন, আমেরিকার ‘স্বর্ণযুগ’ শুরু হয়েছে।
চলতি বছরের শেষ দিকে উদ্যাপিত হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কথা উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর প্রেসিডেন্সিকে ‘যুগান্তকারী পরিবর্তন’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া বিজয়ী ভাষণে ট্রাম্প আমেরিকার বর্তমান পরিস্থিতি পরিবর্তন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরেন। তার বক্তব্যের প্রধান পয়েন্টগুলো ছিল:
ট্রাম্প অঙ্গীকার করেন যে, তিনি আমেরিকার সীমানা রক্ষা করবেন এবং দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবেন। বিভেদ ভুলে দেশবাসীকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "এখন সময় সব ক্ষত সারিয়ে এক শক্তিশালী আমেরিকা গড়ার।" তিনি দাবি করেন, তার শাসনামলে আমেরিকা এমন সমৃদ্ধি দেখবে যা আগে কখনো দেখা যায়নি।
এটি ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ। প্রথা অনুযায়ী, মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেট ও নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের যৌথ অধিবেশনে তিনি এ ভাষণ প্রদান করছেন।
ট্রাম্প যখন ভাষণ শুরু করেন, তখন তাঁর সমর্থকেরা ‘ইউএসএ’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।
ট্রাম্পের এই 'স্বর্ণযুগ' শুরুর ঘোষণায় বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বৈশ্বিক পুঁজিবাজার থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা এই নতুন নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে আছেন। অনেকেই মনে করছেন, ট্রাম্পের 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতি বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে।