প্রকাশিত:
গতকাল

গত ১৪ জানুয়ারির নির্দেশনাটি আবার মনে করিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে, ভারতীয় সব নাগরিক এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিরা যেন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেন।
গত জানুয়ারিতে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে ৪০ দিনের শোকসভা পালনের পর গত শনিবার থেকে ইরানে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। রাজধানী তেহরানসহ মাশহাদ শহরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছেন।
ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিশাল জনতা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক চুক্তিতে আসার জন্য ১০-১৫ দিনের যে আলটিমেটাম দিয়েছিলেন, তার সময়সীমা ঘনিয়ে আসায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বহুগুণ বেড়ে গেছে।
ইরানে নতুন করে সরকারবিরোধী 'জেন-জি' (তরুণ প্রজন্ম) বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। তেহরানসহ একাধিক শহরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। সুইডেন, সার্বিয়াসহ আরও বেশ কিছু দেশ ইতিমধ্যে তাদের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতার ইঙ্গিত দেয়।
ভারতীয় দূতাবাস নাগরিকদের জন্য নিম্নোক্ত নির্দেশিকা জারি করেছে। বাণিজ্যিক বিমান বা উপলব্ধ যেকোনো মাধ্যমে দ্রুত ইরান ত্যাগ করতে হবে। বিক্ষোভ বা সমাবেশ চলছে এমন এলাকাগুলো কঠোরভাবে এড়িয়ে চলতে হবে। পাসপোর্ট, পরিচয়পত্র এবং প্রয়োজনীয় অভিবাসন নথি সবসময় হাতের কাছে রাখতে হবে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের ওপর নজর রাখার পাশাপাশি দূতাবাসের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে।
ভারতে থাকা প্রায় ১০ হাজার পরিবারের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই নির্দেশ। বিশেষ করে যারা উচ্চশিক্ষার জন্য ইরানে আছেন, তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভারত সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনে বিশেষ উদ্ধারকারী বিমান পাঠানোর পরিকল্পনাও রাখতে পারে।