প্রকাশিত:
১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের সংবাদের শিরোনাম দিয়েছে, ‘নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান’। রয়টার্স প্রতিবেদনটিতে এ ঘটনাকে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য নির্ণায়ক রাজনৈতিক পরিবর্তনের চিহ্ন বলে উল্লেখ করেছে।
এপি ও এএফপির এই বার্তা সংস্থাগুলো তারেক রহমানের ১৭ বছরের প্রবাস জীবন থেকে ফিরে এসে ক্ষমতায় আসীন হওয়ার ঘটনাকে 'একটি অসাধারণ রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন' হিসেবে অভিহিত করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক এইআল জাজিরা (Al Jazeera) সংবাদমাধ্যমটি গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রার ওপর। তারা উল্লেখ করেছে, এই শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার অবসান ঘটতে যাচ্ছে।
এনডিটিভি (NDTV) ও দ্য হিন্দু সহ ভারতের প্রধান গণমাধ্যমগুলো তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লার অংশগ্রহণকে দুই দেশের নতুন কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা হিসেবে দেখছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো এই অনুষ্ঠানে বিদেশি প্রতিনিধিদের উপস্থিতিকে বিশেষভাবে নজরে এনেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত, পাকিস্তান, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যা তারেক রহমান সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রাথমিক সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারেক রহমানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিভাজন দূর করা। বিবিসি (BBC) তাদের এক বিশ্লেষণে বলেছে, "তারেক রহমানের জন্য আসল পরীক্ষা শুরু হলো এখন—তাকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে সক্ষম।"
আন্তর্জাতিক অঙ্গন তারেক রহমানের এই শপথ গ্রহণকে অত্যন্ত ইতিবাচক কিন্তু সতর্ক দৃষ্টিতে দেখছে। বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলো বাংলাদেশের এই নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।