প্রকাশিত:
২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য। আমরা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বদ্ধপরিকর। সাধারণ মানুষ যেন কোনো কষ্টে না পড়ে, সেজন্য প্রধানমন্ত্রী খুবই সচেতন। আমার বিশ্বাস, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে না।
ধর্মমন্ত্রী জানান, রমজান শুরুর আগেই সারা দেশে বাজার মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে।
টিসিবি (TCB) এর মাধ্যমে চিনি, তেল, ডাল ও ছোলার পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে যাতে বাজারে কোনো ঘাটতি তৈরি না হয়।মন্ত্রী ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "রমজান হলো সংযমের মাস, অতি মুনাফা লোটার মাস নয়। ব্যবসায়ীদের মানবিক হতে হবে এবং নৈতিকতা বজায় রাখতে হবে।" মজুতদারি বা সিন্ডিকেট করার প্রমাণ পাওয়া গেলে জেল-জরিমানা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হতে পারে।
ধর্মমন্ত্রী খতিব ও ইমামদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন, তারা যেন জুমার খুতবায় বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারির বিরুদ্ধে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "ইসলামে মালের অবৈধ মজুতদারি করে মানুষের কষ্ট বাড়ানো হারাম। ধর্মীয় বক্তৃতার মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানো গেলে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।"
বিগত সময়গুলোয় হজ্বের ব্যয় বৃদ্ধি প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কাজ করে যাব, যেন মানুষ সব সুবিধা ভোগ করতে পারে। তারা যেন এটা বলে যে, আল্লাহর রহমতে আমরা অতীতের থেকে ভালো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছি। অবশ্যই অবশ্যই তা করব।
সাধারণ ক্রেতারা মন্ত্রীর এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তারা আশা করছেন, কেবল ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত তদারকি করা হবে। বিশেষ করে ভোজ্যতেল এবং চিনির দাম যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সেদিকে নজর দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।