প্রকাশিত:
১১ জানুয়ারী, ২০২৬
.jpg&w=3840&q=75)
রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত নাগরিক দায়িত্ববোধ, সামাজিক সম্পৃক্ততা ও নগর উন্নয়ন বিষয়ক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, গণভোটে সকলকেই অংশ নিতে হবে এবং আপনার মতামত জানাতে হবে। যদি সংস্কার চান তাহলে গণভোটে যেতে হবে, সংস্কারের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এবার কিন্তু নির্বাচনে তরুণ সমাজ একটা বড় ভোটের অংশ। এই তরুণ সমাজ যেভাবে আমাদেরকে স্বৈরাচারের কবল থেকে বের করে এনেছে, এই তরুণ সমাজকেই সেভাবেই গণতন্ত্রের ভিতটা সংস্কারের মাধ্যমে শক্তভাবে প্রস্তুত করতে হবে। স্বৈরাচার চলে গেল এতে খুশি হয়ে বসে থাকার কোনোই সুযোগ নেই। কারণ এ দেশে আগেও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন হয়েছিল। আমরা এখনও নূর হোসেনের কথা বলি তো, আমরা এখনও ডক্টর মিলনের কথা বলি তো, এরকম আরো অনেকে আছে যাদের নাম এই মুহূর্তে বলছি না- লম্বা তালিকা, ফলে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সফল হওয়ার সাথে সাথে দেশে গণতন্ত্র চলে আসে না। দেশে গণতন্ত্র চলে আসতে প্রত্যেকটা নাগরিককে তার ভোটাধিকার প্রয়োগে সচেতন এবং সতর্ক হতে হয়।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ভালো বুঝে আপনারা সাধারণ নির্বাচনে ভোট দেবেন আর গণভোটে সংস্কারের যে প্রস্তাবনাগুলো আছে যদি সত্যিই ক্ষমতার ভর শাসক গোষ্ঠীর কাছ থেকেই জনগণের কাছে নিতে চান তাহলে সংস্কারের পক্ষে থাকবেন। আপনাদেরকে অনেক ভয় ভীতি দেখানো হবে যাতে নির্বাচনে আমরা না যাই, ভোটাররা যাতে ভীত হয় তার কিছু আলামত ইতোমধ্যে আমরা পেয়েছি। এই ভয়কে জয় করেছিল বলেই কিন্তু জুলাই-আগস্ট সফল হয়েছে। এর আগেও কিন্তু আন্দোলন হয়েছিল, সে আন্দোলনগুলো চূড়ান্ত সফলতার মুখ দেখেনি তার কারণ হচ্ছে ভয়কে তারা জয় করতে পারে নাই। ভয়ের নানান রকম মাধ্যমে ভয় দেখানো অব্যাহত ছিল।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নাগরিক পদক প্রদান অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে তিনি আরও বলেন, এখনো কিন্তু ভয় দেখানো হচ্ছে। এই যে ভয়, এই ভয়টাকে আমাদের জয় করতে হবে।
একই আয়োজনে অংশ নিয়ে আয়নাঘরের পুনরাবৃত্তি না চাইলে গণভোটে অংশ নিতে হবে বলে জানান স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।