প্রকাশিত:
৩১ জানুয়ারী, ২০২৬

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের হজযাত্রীদের জন্য সরকারি হাসপাতালগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। সৌদি সরকারের কঠোর স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা অনুযায়ী:
প্রত্যেক হজযাত্রীকে নির্ধারিত সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে।
নির্ধারিত টিকাকেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় টিকা গ্রহণ করতে হবে।
স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকাদান শেষে সংগৃহীত 'হেলথ ফিটনেস সনদ' ভিসা আবেদনের জন্য বাধ্যতামূলক।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যগতভাবে যোগ্য বা 'ফিট' বিবেচিত হজযাত্রীদের আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে সৌদি আরবের 'নুসুক মাসার' (Nusuk Masar) পদ্ধতিতে ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। নিবন্ধিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, ১. সনদ ছাড়া হজে যাওয়া যাবে না: ফিটনেস সনদপত্র ব্যতীত কোনো হজযাত্রী এ বছর হজে যেতে পারবেন না। ২. সময়সীমা: নির্ধারিত ২০ মার্চ তারিখের পর ভিসার আবেদনের আর কোনো সুযোগ থাকবে না।
মন্ত্রণালয় সকল হজযাত্রীকে বিলম্ব না করে দ্রুত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করার অনুরোধ জানিয়েছে।