প্রকাশিত:
১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস বলেন, ‘বর্তমানে মেডিক্যাল ও ডাবল এন্ট্রি ভিসা চালু থাকলেও পর্যটনসহ অন্যান্য ক্যাটাগরির ভিসা বন্ধ আছে। সেগুলো পুনরায় চালু করার জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সূত্রমতে, ধাপে ধাপে সকল ভিসা সেন্টার খুলে দেওয়া হবে এবং নিচের ক্যাটাগরিগুলো প্রাধান্য পাবে।
টুরিস্ট ভিসা, বিজনেস ভিসা,স্টুডেন্ট ভিসা ও মেডিকেল ভিসা।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের এই সিদ্ধান্তের পেছনে কয়েকটি মূল কারণ কাজ করছে।
দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ (People-to-People Contact) পুনরুদ্ধার। ভারতের পর্যটন ও চিকিৎসা খাতের একটি বড় অংশ বাংলাদেশিদের ওপর নির্ভরশীল। ভিসা বন্ধ থাকায় এই খাতগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল।ও দক্ষিণ এশিয়ায় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে ভারত ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার পদক্ষেপ নিয়েছে।
হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভিসা আবেদন সেন্টারে (IVAC) ভিড় কমাতে অনলাইন স্লট বরাদ্দের সংখ্যা দ্বিগুণ করা হচ্ছে। তবে আবেদনকারীদের সতর্ক করে বলা হয়েছে:
যথাযথ কাগজপত্র ও সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে।কোনো দালালের মাধ্যমে লেনদেন না করে সরাসরি নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে।
ভারতীয় ভিসা পুনরায় চালুর এই উদ্যোগ দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করার একটি ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ আশা করছেন, দ্রুতই সব আইভ্যাক (IVAC) সেন্টার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরবে এবং মানুষের ভোগান্তি লাঘব হবে।
ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মানের ওপর প্রতিষ্ঠিত জানিয়ে অনিরুদ্ধ দাস বলেন, ‘দুই দেশের সাধারণ মানুষই হবে এই স্থিতিশীল, ইতিবাচক ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের মূল অংশীদার। আমাদের চিন্তা-চেতনা ও সংস্কৃতি অতীতকাল থেকেই এক সুতোয় গাঁথা।’