প্রকাশিত:
২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
.jpg&w=3840&q=75)
সংসদে গঠনমূলক আলোচনা এবং স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার কৌশল রপ্ত করা।বিল উত্থাপন, সংশোধনী প্রস্তাব এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রস্তুতি। রাষ্ট্রের বাজেট, পররাষ্ট্রনীতি এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্য-উপাত্তসহ জোরালো বক্তব্য উপস্থাপন। নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার সমস্যাগুলো সংসদে সঠিক উপায়ে তুলে ধরার রোডম্যাপ তৈরি।
জামায়াত এই কর্মশালার নাম দিয়েছে ‘ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম’। অভিজ্ঞ সাবেক আমলা, একাডেমিশিয়ান ও সাবেক সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে এমপিদের দায়িত্ব ও বিরোধী দলের কৌশলগত ভূমিকা কেমন হবে, তা তুলে ধরা হয়েছে এই কর্মশালায়।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা বলেন, সংসদ কেবল উচ্চবাচ্য করার জায়গা নয়, বরং আইন তৈরির মাধ্যমে দেশ গড়ার কেন্দ্র। কর্মশালায় বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, জনগণের আমানত হিসেবে সংসদে তাদের কণ্ঠস্বর হতে হবে বলিষ্ঠ ও যুক্তিনির্ভর। অতীতে সংসদীয় কার্যক্রমে দলটির অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে নতুনদের আরও দক্ষ হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
বুধবার সকালে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়–সংলগ্ন আল ফালাহ মিলনায়তনে দুই দিনব্যাপী এই কর্মশালা শুরু হয়। শেষ হয়েছে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জামায়াত মাঠের রাজনীতির পাশাপাশি এখন নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে চাইছে। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তারই অংশ, যা সংসদীয় গণতন্ত্রে দলটির পেশাদারিত্ব প্রমাণের একটি চেষ্টা।
"আমরা চাই আমাদের প্রতিনিধিরা সংসদে কেবল সংখ্যা হিসেবে নয়, বরং মেধা ও যুক্তি দিয়ে দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করুক।" — জামায়াত নেতৃত্ব।