প্রকাশিত:
১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মোস্তফা কামাল দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতা ও ডিমেনশিয়াসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত প্রায় দুই সপ্তাহ তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ ভোরে তাঁর জীবনাবসান হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী ও ছাত্র রেখে গেছেন।
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে মোস্তফা কামাল ছিলেন এক সব্যসাচী ব্যক্তিত্ব। ষাটের দশকে তিনি ঢাকা মোহামেডানের হয়ে ফুটবল খেলেছেন। তবে ভলিবলই ছিল তাঁর ধ্যান-জ্ঞান। তিনি দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতীয় ভলিবল দলের কোচ হিসেবেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। কোচিংয়ের পাশাপাশি তিনি ভলিবল ও বিভিন্ন ক্রীড়া বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করতেন। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতেও তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন।
আজ জোহরের নামাজের পর শান্তিনগর ইস্টার্ন প্লাস শপিং মল জামে মসজিদে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা হওয়ার কথা রয়েছে। জানাজা শেষে তাঁকে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশন, বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতিসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।