প্রকাশিত:
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচটি শুরুর আগে রশিদের নামের পাশে ছিল ৬৯৯টি উইকেট। আরব আমিরাতের ইনিংসের ১৬তম ওভারে মোহাম্মদ আরফানকে আউট করার মাধ্যমেই ইতিহাসের প্রথম বোলার হিসেবে ৭০০ উইকেটের ক্লাবে প্রবেশ করেন তিনি। মজার বিষয় হলো, আরফান রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে নিজের স্টাম্প নিজেই ভেঙে ফেলেন (হিট উইকেট), যা রশিদের জন্য হয়ে থাকে ঐতিহাসিক সেই উইকেট।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে (ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে) উইকেটের তালিকায় রশিদ অনেকদিন ধরেই অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তার ধারেকাছেও বর্তমানে কেউ নেই।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের শীর্ষ উইকেট শিকারি:
| বোলার | উইকেটের সংখ্যা | অবস্থা |
| রশিদ খান | ৭০০ | সক্রিয় |
| ডোয়াইন ব্রাভো | ৬৩১ | অবসরপ্রাপ্ত |
| সুনিল নারিন | ৬১৩ | সক্রিয় |
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও রশিদ সবার ওপরে। তার মোট ১৯১টি আন্তর্জাতিক উইকেট রয়েছে, যেখানে টিম সাউদি (১৬৪) এবং ইশ সোধি (১৬২) বেশ ব্যবধানে তার পেছনে রয়েছেন।
৭০০ উইকেটের এই বিশাল অর্জন নিয়ে রশিদ খান জানান, তার লক্ষ্য আরও অনেক দূরে। বিশ্বকাপের আগে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, "৭০০ উইকেট বা যাই হোক, এই অর্জন চলতেই থাকবে। আমি মনে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য রাখিনি যে এখানে এসেই থেমে যাব। জাতীয় দলের হয়ে যখন খেলি, সবসময় শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করি। দল যখনই প্রয়োজন মনে করে, আমি তখনই উইকেট নিতে চাই।"
উল্লেখ্য, আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে ৬৯৮ ও ৬৯৯ নম্বর উইকেট নিয়ে মাইলফলকের দোরগোড়ায় পৌঁছেছিলেন তিনি। আজ আরফানকে ফেরানোর মাধ্যমে ২৩ বছরের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেন এই লেগ স্পিনার।