প্রকাশিত:
১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ম্যাচজুড়ে বার্সেলোনার দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। ৬১ শতাংশ বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষের গোলমুখে ৩০টি শট নেয় তারা, যার ৮টি ছিল লক্ষ্যে। ম্যাচের মাত্র ষষ্ঠ মিনিটেই গোলের খাতা খোলেন তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামাল। দানি ওলমোর নিখুঁত থ্রু বল ধরে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এই ফরোয়ার্ড।
বার্সেলোনা ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও ওলমোর শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। উল্টো ২৯ মিনিটে স্রোতের বিপরীতে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান এলচের আলভারো রদ্রিগেস।
বিরতির ঠিক পাঁচ মিনিট আগে আবারও লিড নেয় বার্সেলোনা। ডি ইয়ংয়ের দারুণ কারিকুরির পর বল পান ফেররান তরেস। জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে স্কোরলাইন ২-১ করেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে বার্সা কোচ হান্সি ফ্লিক মাঠে নামান ইংলিশ স্ট্রাইকার মার্কাস র্যাশফোর্ডকে। কোচের আস্থার প্রতিদান দিতে দেরি করেননি তিনি। ৭২ মিনিটে ইয়ামালের বাড়ানো পাস থেকে জোরালো শটে গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন র্যাশফোর্ড। ম্যাচের বাকি সময়ে লেভানদোভস্কিরা সুযোগ পেলেও ব্যবধান আর বাড়েনি।
এই জয়ের পর ২২ ম্যাচে ১৮ জয় ও ১ ড্রয়ে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে বার্সেলোনা। অন্যদিকে এক ম্যাচ কম খেলা রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ৫১। বার্সার কাছে হেরে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১২ নম্বরেই পড়ে রইল এলচে।