প্রকাশিত:
২ ঘন্টা আগে

নাজমুল ইসলামের অসংলগ্ন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে বিপিএল বয়কট করেন ক্রিকেটাররা। আজ দুপুরের প্রথম ম্যাচটি মাঠে না গড়ালে দেশের ক্রিকেট স্থবির হওয়ার উপক্রম হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বোর্ড সভায় নাজমুলকে অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তাকে বোর্ডের যাবতীয় কর্মকাণ্ড থেকে আপাতত দূরে রাখারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে গঠনতান্ত্রিক সীমাবদ্ধতার কারণে তার 'পরিচালক' পদটি এখনই শূন্য করা সম্ভব হয়নি।
বিতর্কের সূত্রপাত নাজমুল ইসলামের সাম্প্রতিক কিছু আক্রমণাত্মক মন্তব্য থেকে। এর আগে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভারতের দালাল’ বলে সম্বোধন করে তোপের মুখে পড়েছিলেন তিনি। সর্বশেষ ক্রিকেটারদের সম্মানহানি করে মন্তব্য করায় জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররা এককাট্টা হয়ে তার বহিষ্কারের দাবি তোলেন।
ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের (CWAB) সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন বনানীর সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, নাজমুল ইসলাম বোর্ডে থাকলে ক্রিকেটাররা মাঠে ফিরবেন না। বিসিবি তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ায় বরফ গলতে শুরু করেছে।
প্রথম ম্যাচ: চট্টগ্রাম রয়্যালস বনাম নোয়াখালী এক্সপ্রেস (পরিত্যক্ত)।
দ্বিতীয় ম্যাচ: নাজমুলকে সরিয়ে দেওয়ার খবর আসার পর সন্ধ্যা ৬টার রাজশাহী ওয়ারিয়র্স বনাম সিলেট টাইটানস ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বিসিবির গঠনতন্ত্রে পরিচালকদের জন্য সুনির্দিষ্ট আচরণবিধি না থাকায় তাকে এখনই পুরোপুরি অপসারণ করা না গেলেও, তাকে ‘কার্যক্ষমতাহীন’ করে রাখাকেই আপাতত বড় সমাধান হিসেবে দেখছেন বোর্ড সংশ্লিষ্টরা। এখন বল ক্রিকেটারদের কোর্টে। বোর্ড সূত্রের খবর, ক্রিকেটাররা এই সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হলে আজ সন্ধ্যার ম্যাচ দিয়েই বিপিএল পুনরায় সচল হবে।