প্রকাশিত:
২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে রানের দিক থেকে এটিই ভারতের সবচেয়ে বড় পরাজয়। এর আগে ২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪৯ রানে হারই ছিল তাদের বড় ব্যবধানের রেকর্ড। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবধানের হার (শীর্ষে ২০১৯ সালে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৮০ রানে পরাজয়)।
২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা ১২টি ম্যাচে অপরাজিত ছিল ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার এই জয় ভারতের সেই দীর্ঘতম অপরাজেয় যাত্রার অবসান ঘটাল।
আইসিসির সীমিত ওভারের টুর্নামেন্টগুলোতে (ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়নস ট্রফি) ভারতের টানা ১৭ জয়ের ধারাও থেমেছে এই আহমেদাবাদেই। মজার ব্যাপার হলো, ভারতের আগের হারটি ছিল ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে, যে ম্যাচটিও হয়েছিল এই একই মাঠে।
রান তাড়া করতে নেমে কাল ঈশান কিষানসহ তিন ভারতীয় ব্যাটসম্যান শূন্য রানে আউট হয়েছেন। চলতি বিশ্বকাপে ভারতের ব্যাটসম্যানরা এখন পর্যন্ত রেকর্ড ১১ বার ‘ডাক’ বা শূন্য রানে সাজঘরে ফিরেছেন, যা অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮টি ডাক দেখেছে টুর্নামেন্টের নবাগত দল ইতালি।
এর আগে ২০২৪ আসরে সর্বোচ্চ ৬টি শূন্য দেখেছিল ভারত।
দক্ষিণ আফ্রিকার ১৮৭ রানের পাহাড় টপকাতে নেমে ভারত গুটিয়ে যায় মাত্র ১১১ রানে। এই হারের ফলে সেমিফাইনালের সমীকরণ ভারতের জন্য কিছুটা জটিল হয়ে দাঁড়াল। এখন জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে জয়ের কোনো বিকল্প নেই সূর্যকুমার যাদবের দলের সামনে।