প্রকাশিত:
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

২০০৯ সালে জন্ম নেওয়া শায়লার ফুটবলে হাতেখড়ি ছোটবেলায়। ২০১৫ সালে তিনি এক বড় সাফল্য পান, যখন পূর্ণ স্কলারশিপ নিয়ে যোগ দেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব অ্যাস্টন ভিলার মর্যাদাপূর্ণ ‘ফাউন্ডেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে’। এলিট পর্যায়ের ফুটবলার তৈরির এই কারখানায় শায়লা বর্তমানে নিয়মিত অনুশীলন করছেন।
অ্যাস্টন ভিলায় যাওয়ার আগে শায়লা নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন নর্থহ্যাম্পটন টাউন এফসি গার্লস এলিট একাডেমিতে। সেখানে অনূর্ধ্ব-১৩ দলের হয়ে দুই মৌসুমে তার পরিসংখ্যান ছিল চোখ ধাঁধানো— ১৭টি গোল এবং ২২টি অ্যাসিস্ট। এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২০-২১ মৌসুমে তিনি নর্থহ্যাম্পটনের ‘প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হন।
বাফুফে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম শায়লার অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শায়লাকে এখনই সিনিয়র দলে না খেলিয়ে বয়সভিত্তিক দলের মাধ্যমে দেশের ফুটবলে অভ্যস্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
ফাহাদ করিম বলেন, "ইনশাআল্লাহ, শায়লা যুব দলের হয়ে বাংলাদেশে আসবে। আমরা নিয়মিত তার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। সে বর্তমানে অ্যাস্টন ভিলায় স্কলারশিপে রয়েছে। গত বছর থেকেই তার পরিবারের সঙ্গে আমাদের কথা হচ্ছে।"
সব কিছু ঠিক থাকলে এ বছরই লাল-সবুজ জার্সিতে দেখা যেতে পারে এই ব্রিটিশ-বাংলাদেশি তারকাকে। বাফুফে সূত্র জানায়, আসন্ন সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ এবং অনূর্ধ্ব-১৯ বা ২০ টুর্নামেন্টের সময়সূচি অনুযায়ী তাকে প্রস্তাব দেওয়া হবে।
শায়লার মতো আধুনিক ফুটবলে শিক্ষিত খেলোয়াড়রা যুক্ত হলে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল এশিয়ার পর্যায়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।