প্রকাশিত:
১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

গাজী আশরাফ হোসেন লিপু জানান, গত ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি ইমেইলের মাধ্যমে বোর্ডকে নিজের অনাগ্রহের কথা জানিয়েছেন। সাধারণত ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে লক্ষ্য রেখে বিসিবি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিলেও, লিপুর পক্ষে এখন সেই বিশাল সময় দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, "ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে আমাকে আগামীতে কয়েক সপ্তাহ দেশের বাইরে থাকতে হতে পারে। ২৭ জানুয়ারি থেকেই আমি পারিবারিক কাজে ব্যস্ত থাকব। তাই পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে কঠিন হবে।"
পুরোপুরি সরে যাওয়ার কথা বললেও কিছুটা নমনীয় সুর শোনা গেছে লিপুর কণ্ঠে। তিনি জানিয়েছেন, বোর্ড চাইলে চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করতে পারেন। তবে সে ক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদি কোনো চুক্তির প্রস্তাব দিলে তিনি আলোচনার টেবিলে বসতে রাজি আছেন। অন্যথায়, ২৮ ফেব্রুয়ারির পরই তিনি তাঁর দায়িত্ব বুঝিয়ে দেবেন।
বিসিবি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, লিপুর পাঠানো ইমেইলটি তাঁরা হাতে পেয়েছেন। নির্বাচক প্যানেলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং হুট করে নতুন কাউকে নিয়োগ দেওয়ার চাপ সামলাতে বোর্ড লিপুর সঙ্গে স্বল্পমেয়াদে চুক্তি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, গাজী আশরাফ হোসেন লিপু বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের এক কিংবদন্তি নাম। তিনি দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের (ওয়ানডে) ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছিলেন। মাঠের ক্রিকেট ছাড়ার পর বিসিবির পরিচালক হিসেবেও তিনি সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর মতো অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বের চলে যাওয়া নির্বাচক প্যানেলের জন্য একটি বড় শূন্যতা তৈরি করতে পারে।