প্রকাশিত:
১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ম্যাচের শুরুতেই টসে জিতে ব্যাট করতে নামা নেদারল্যান্ডসকে দিশেহারা করে দেন বাংলাদেশি বোলাররা। মাত্র ২৩ রানেই সাজঘরে ফেরেন দলটির ৫ জন ব্যাটার। বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার ছিলেন দুর্দান্ত; ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে তিনি একাই শিকার করেন ৩ উইকেট। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন মারুফা ও রাবেয়ারা।
তবে ষষ্ঠ উইকেটে রবিন রাইকে (৩৯) ও সানিয়া খুরানার (৪৩*) ৭৮ রানের লড়াকু জুটিতে ভর করে কোনোমতে ১০০ রানের গণ্ডি পার করে ডাচরা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১০২ রান সংগ্রহ করে তারা।
১০৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা স্বস্তিদায়ক ছিল না বাংলাদেশের। দলীয় ৬ রানেই সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনার দিলারা আক্তার ও জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। তবে সেখান থেকেই হাল ধরেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা। তৃতীয় উইকেটে শারমিন আক্তারকে (১৩) নিয়ে ৪২ রানের জুটি গড়ে চাপ সামাল দেন তিনি।
এরপর সোবহানা মোস্তারিকে নিয়ে শুরু হয় নিগারের তাণ্ডব। এই জুটি মাত্র ৩৭ বলে ৫৭ রান যোগ করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। মোস্তারি ২৩ বলে ৩৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে নিগার সুলতানা ৪৪ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত থাকেন, যা তার আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারের ১০ম ফিফটি। ২০ বল হাতে রেখেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ৭টি ম্যাচ খেলে ৭টিতেই জিতেছে বাংলাদেশ। অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখে মূল পর্বে পা রাখল তারা। বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ডও মূল আসরে খেলার টিকিট নিশ্চিত করেছে।