প্রকাশিত:
২৬ নভেম্বর, ২০২৫

শুরুর দিকেই ছন্দপতন। শেষদিন ২৭/২ নিয়ে ব্যাটিং শুরু করেছিল ভারত। বাঁচানোর জন্য ৮ উইকেট হাতে থাকলেও প্রথম সেশনের মাঝামাঝি সাইমন হারমারের ভয়ংকর এক স্পেল ভারতকে পুরোপুরি টলে দেয়। এক ওভারে কুলদীপ যাদব ও ধ্রুব জুরেলকে ফিরিয়ে দেন তিনি। পরে ঋষভ পান্তকেও সাজঘরে পাঠিয়ে সম্ভাব্য প্রতিরোধ ভেঙে ফেলেন।
সাই সুদর্শন আর রবীন্দ্র জাদেজার ধৈর্যের লড়াই কিছুটা আশা ধরিয়েছিল। সেশন শেষে সুদর্শন ১৩৮ বলে ১৪*, জাদেজা ২৩ রানে অপরাজিত থাকলেও দ্বিতীয় সেশনের প্রথম পাঁচ বল না যেতেই ভেঙে যায় জুটি। সেনুরান মুথুসামির বলে এজ হয়ে মার্করামের হাতে ক্যাচ দেন সুদর্শন।
এরপরও চেষ্টা করেছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর ও জাদেজা। কিন্তু হারমারের লাইন–লেংথ থেকে রেহাই মেলেনি। সুন্দর আউট হতেই এক টেস্টে সর্বোচ্চ ৯টি ক্যাচ নেওয়ার বিশ্বরেকর্ড গড়ে ফেলেন এইডেন মার্করাম, আজিঙ্কা রাহানের ২০১৫ সালের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে।
জাদেজা একাই লড়াই চালিয়ে ফিফটি তুললেও বেশি দূর যেতে পারেননি। শেষ ধাক্কা দেন কেশব মহারাজ, টানা দুই বলে জাদেজা ও সিরাজকে ফিরিয়ে ভারতের পরিণতি নিশ্চিত করেন।
হারমার ২৩ ওভারে মাত্র ৩৭ রান দিয়ে ৬ উইকেট, ম্যাচে মোট ৯ উইকেট তুলে নিয়ে ভারতীয় ব্যাটিংকে নিঃশেষ করে দেন।
এই জয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ২–০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয়, হ্যান্সি ক্রনিয়ে যুগের পর ২৫ বছর পর ভারতকে আবারো নিজেদের মাঠে হোয়াইটওয়াশ করার গৌরব পেল প্রোটিয়ারা।