প্রকাশিত:
১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সিডনি মর্নিং হেরাল্ড-এর এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে।
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া নজিরবিহীন সংকটই আইসিসিকে এই কঠোর সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রতিবেদনের মূল কারণগুলো হলো:
নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশ সরকার তাদের ক্রিকেট দলকে ভারতে পাঠাতে অস্বীকৃতি জানায়। ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ আইসিসি না রাখায় শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপ থেকে বাইরে থাকে।
পাকিস্তান সরকার ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দিলে আইসিসি চরম বিপাকে পড়ে। যদিও দীর্ঘ আলোচনার পর গত ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় দুই দেশ মুখোমুখি হয়, তবে এমন অস্থিরতা ভবিষ্যতে এড়াতে চায় নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
ভারতের সঙ্গে প্রতিবেশীদের রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের সূচি ও বাণিজ্যিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভারতের আয়োজক স্বত্ব থাকা নিচের দুটি টুর্নামেন্ট অস্ট্রেলিয়ায় সরিয়ে নেওয়া হতে পারে:
২০২৯ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি: যা এককভাবে ভারতে হওয়ার কথা।
২০৩১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ: ভারত ও বাংলাদেশ যার যৌথ আয়োজক।
সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে দুটি বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, "ভবিষ্যতে বৈশ্বিক আসরে এ ধরনের বিভ্রাট এড়াতে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে অস্ট্রেলিয়াকে সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার মনে করা হচ্ছে।"
অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে ২০২৮ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হওয়ার কথা রয়েছে। সেই আয়োজনের রেশ কাটতে না কাটতেই ২০২৯ ও ২০৩১ সালের আসরগুলোও সেখানে সরিয়ে নেওয়ার আলোচনা এখন তুঙ্গে। ক্রিকেটের আর্থিক শক্তির কেন্দ্র হিসেবে ভারত এতদিন বড় টুর্নামেন্টগুলোর স্বত্ব পেলেও, সাম্প্রতিক 'রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা' সেই একাধিপত্যকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
আইসিসির এই সম্ভাব্য পদক্ষেপে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বাংলাদেশও, কারণ ২০৩১ বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশের নাম যুক্ত রয়েছে। ভারত থেকে টুর্নামেন্ট সরে গেলে বাংলাদেশের আয়োজন ভাগ্যও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।