প্রকাশিত:
২৪ নভেম্বর, ২০২৫

সিনসিনাটির মাঠে বাংলাদেশ সময় সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে দারুণ ছন্দে শুরু করে মায়ামি। ১৯ মিনিটে সিলভেতির ক্রসে নিখুঁত হেডে গোল করেন মেসি, এগিয়ে যায় মায়ামি। প্রথমার্ধে আরও দুটি সুযোগ তৈরির পরও গোলরক্ষক রোমান ক্যালেন্টানোর দৃঢ়তায় ব্যবধান বাড়েনি।
বিরতির পর ম্যাচ পুরোপুরি মেসির দখলে চলে যায়। তার সূক্ষ্ম পাসিংয়ে ৫৪ মিনিটে কোনাকুনি শটে দ্বিতীয় গোলটি করেন সিলভেতি। তারপর আসল তান্ডব তরুণ আইয়েন্দেকে নিয়ে, মাঝমাঠ থেকে মেসির দুইটি দুর্দান্ত থ্রু পাস ধরে পরপর দুটি গোল করেন আর্জেন্টাইন এই উইঙ্গার। প্রথমটিতে গতি আর দ্বিতীয়টিতে দারুণ শারীরিক শক্তির প্রদর্শন, দুটোতেই ভেঙে পড়েছিল সিনসিনাটির রক্ষণ।
ম্যাচটি আরও বড় ব্যবধানে জিততে পারত মায়ামি। শেষ দিকে মেসির তৈরি প্রায় নিশ্চিত সুযোগটিও কাজে লাগাতে পারেননি রদ্রিগো ডি পল, ডি-বক্সে পুরো ফাঁকা জায়গা পেয়ে শট বাইরে পাঠান তিনি।
এই ম্যাচে স্পষ্ট হলো, মেসিকে কেন্দ্র করে সিলভেতি-আইয়েন্দেকে সামনে রেখে আক্রমণ সাজানোর মাসচেরানোর চিন্তা কতটা ফলপ্রসূ হয়েছে। লুইস সুয়ারেসকে বেঞ্চে রেখে দ্রুতগতি তরুণদের বেছে নেওয়াতেই পুরো ম্যাচজুড়ে মায়ামির আক্রমণ ছিল দুর্বার।
লিগ থেকে প্লে–অফ, পুরো মৌসুমেই দুর্দান্ত ধারাবাহিক মেসি। গোল ও অ্যাসিস্টের সমন্বয়ে তিনি প্রায় নিশ্চিত পথেই আছেন টানা দ্বিতীয়বারের মতো ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার’ হওয়ার দিকে। এ ম্যাচ শেষে প্লে-অফে তার গোল-অ্যাসিস্ট সংখ্যা দাঁড়ালো ১২-তে।
কনফারেন্স ফাইনালে মায়ামির প্রতিপক্ষ নিউ ইয়র্ক সিটি এফসি। তারা অন্য সেমিফাইনালে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে।