প্রকাশিত:
২৬ নভেম্বর, ২০২৫

কিন্তু বিশ্বকাপের একেবারে দোরগোড়ায় এসে লিটন বুঝলেন নেতৃত্বের পরিধি তিনি যা ভেবেছিলেন, বাস্তবে তা নয়। মাঠে কৌশল সাজানো বা খেলোয়াড়দের মাঝে সমন্বয় তৈরি করাই তার একমাত্র কাজ। দল নির্বাচন, বাদ-বাছাই কিংবা স্কোয়াড গঠন, এসব বিষয়ে তার মতামত রাখার সুযোগ নেই। গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর নেতৃত্বাধীন নির্বাচক প্যানেল যেই স্কোয়াড ধরিয়ে দেবে, লিটনকে সেটা নিয়েই ফল আনতে হবে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক যুগ পার করে ফেলেছেন লিটন। মাশরাফি, সাকিবের মতো সিনিয়রদের অধীনে খেলেছেন। আবার শান্ত বা মিরাজের নেতৃত্বেও ছিলেন দলের অংশ। তাই তার ধারণা ছিল দল কেমন হবে, কে দলে ঢুকছে, কোন পরিকল্পনায়, এসব অন্তত কোচ ও অধিনায়ককে জানানো হয়। কিন্তু আইরিশদের বিপক্ষে সিরিজের আগে লিটন জানতে পারেন, এসব বিষয়ে তাকে কিছুই জানানো হবে না। নির্বাচকরাই একমাত্র সিদ্ধান্ত নেবেন।
আইরিশ সিরিজে শামীম পাটোয়ারি বাদ পড়ায় বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়। কেন শামীম নেই, অধিনায়ক হয়েও জানেন না লিটন। চট্টগ্রামে ম্যাচ–পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি পরিষ্কার জানান, শামীম বাদ পড়ার বিষয়ে তাকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি, এটা সম্পূর্ণ নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত।যদিও তিনি মনে করেন, শামীম দলে থাকলে ভালো হতো।
শামীমের বাদ পড়ার আসল কারণ অবশ্য সাম্প্রতিক ব্যর্থতা। শেষ সাত ইনিংসে তিনটি ডাক, দুইবার ১ রানে আউট, মাত্র দুইবার দুই অঙ্কের রান।তবুও লিটনের ধারণা, একজন খেলোয়াড়ের ১–২টা সিরিজ খারাপ যেতেই পারে। তিনি মনে করিয়ে দেন, শামীমই আবার টানা দুই–তিন সিরিজ দারুণ খেলেছিলেন।অধিনায়ক হিসেবে লিটন চান যারা তার পরিকল্পনার অংশ, তাদের সুযোগ দিয়ে যেতে, যাতে তারা আস্থা ফিরে পায়। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, আইরিশ সিরিজে যেমন দল পাওয়া যাবে, সেখান থেকে সেরা একাদশ সাজাবেন তিনি। একই নিয়ম বিশ্বকাপেও যে স্কোয়াড দেয়া হবে, সেটাই নিয়ে লড়াই করতে হবে।