প্রকাশিত:
১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আগের রাতেই রিয়াল সোসিয়েদাদকে ৪–১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে সাময়িকভাবে শীর্ষে উঠেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। বার্সার সামনে সুযোগ ছিল জিরোনাকে হারিয়ে পুনরায় সিংহাসন পুনরুদ্ধারের। কিন্তু শুরুতে এগিয়ে গিয়েও সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। ২৪ ম্যাচ শেষে রিয়ালের পয়েন্ট এখন ৬০, আর সমান ম্যাচে বার্সেলোনার পয়েন্ট ৫৮।
ম্যাচে বার্সেলোনা ২৬টি শট নিয়েও হার এড়াতে পারেনি। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম লা লিগায় প্রথম গোল করেও হারের স্বাদ পেল তারা। বার্সার এই হারের পেছনে বড় দায় হয়ে থাকবে লামিনে ইয়ামালের পেনাল্টি মিস। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে পাওয়া সুবর্ণ সুযোগটি তিনি নষ্ট করেন।
চলতি মৌসুমে বার্সা ৭টি পেনাল্টির মধ্যে ৩টিই গোল করতে ব্যর্থ হয়েছে। এর আগে রবার্ট লেভানডফস্কি দুটি শট পোস্টের বাইরে মেরেছিলেন। এর আগে ২০১৫-১৬ মৌসুমে মেসি ও নেইমার মিলে এক মৌসুমে তিনটি পেনাল্টি মিস করেছিলেন।
বার্সা আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও জিরোনার গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। ম্যাচে অন্তত ৭টি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দিয়েছেন তিনি। গার্সিয়া রুখে না দাঁড়ালে হারের ব্যবধান বার্সার জন্য আরও বড় হতে পারত।
টানা দুই হারে বিধ্বস্ত বার্সেলোনা। কয়েকদিন আগেই কোপা দেল রের সেমিফাইনালে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে ৪–০ গোলে হেরেছিল তারা। ম্যাচ শেষে হতাশ ফ্লিক বলেন, "আজ জিরোনা জয়ের যোগ্য ছিল। আমরা রক্ষণভাগে খুবই দুর্বল ছিলাম। দলের মানসিক অবস্থাও ভালো নেই। খেলোয়াড়দের দুই দিনের ছুটি দিয়েছি যাতে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারে। লড়াই এখনও শেষ হয়নি।"