প্রকাশিত:
গতকাল

কলেজের অধ্যক্ষ অজয় অধিকারীর শেয়ার করা সিসিটিভি ফুটেজ এবং সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট অনুযায়ী, ঘটনার বিস্তারিত সময়রেখা নিচে দেওয়া হলো:
রাত ১টা ০৫ মিনিটে প্রায় ১০টি মোটরসাইকেল ও ২০ জনের একটি দল নিয়ে অরিজিৎ সিং এবং আমির খান কলেজের গেটে পৌঁছান।অভিযোগ অনুযায়ী, স্থানীয় নাইট গার্ডকে প্রভাবিত করে বা চাপের মুখে গেট খুলিয়ে তারা ভেতরে প্রবেশ করেন।প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট তারা কলেজ চত্বরে অবস্থান করেন। সেখানে তারা ইনডোর গেমস হলে ব্যাডমিন্টন খেলেন এবং কিছু ভিডিও শুটিং করেন বলে জানা গেছে। রাত ২টা ২৫ মিনিটে দলটি কলেজ চত্বর ত্যাগ করে।
অধ্যক্ষ অজয় অধিকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে লিখেছিলেন, "বিখ্যাত মানুষ বলেই কি যা খুশি করা যায়? সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কি অবজ্ঞার বিষয়?" তবে আশ্চর্যজনকভাবে, পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি তা মুছে ফেলেন এবং জানান যে তিনি ‘পোস্টটি ডিলিট করতে বাধ্য হয়েছেন’। ধারণা করা হচ্ছে, প্রভাবশালী মহলের চাপ বা অনুরোধের মুখেই তিনি পিছু হটেছেন।
অরিজিৎ সিং সম্প্রতি প্লেব্যাক সিঙ্গিং থেকে বিরতি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আমিরের এই সফর নিয়ে দুটি প্রধান জল্পনা চলছে: অরিজিতের স্টুডিওতে আমির খানের গান রেকর্ডিং এবং ছাদে ঘুড়ি ওড়ানোর দৃশ্য দেখে অনেকেই মনে করছেন তারা নতুন কোনো বড় সিনেমার প্রজেক্টে কাজ করছেন।অনেকে মনে করছেন, অরিজিৎকে প্লেব্যাকে ফিরিয়ে আনতেই আমির ব্যক্তিগতভাবে জিয়াগঞ্জে তার পৈতৃক ভিটায় ছুটে এসেছেন।
জিয়াগঞ্জের সাধারণ মানুষ প্রিয় তারকাদের কাছে পেয়ে খুশি হলেও, সরকারি কলেজে রাতের আঁধারে এমন ‘গোপন মিশন’ ভালো চোখে দেখছেন না অনেকেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষা এবং তারকাদের দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।